রাজ্যে কারও শরীরে করোনা ভাইরাস মেলেনি। অযথা কেউ আতঙ্কগ্রস্ত হবেন না। শুক্রবার ৬ মার্চ নবান্নে এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এটা কেন্দ্র বা রাজ্যের বিষয় নয়। ইউনাইটেড ইন্ডিয়ার মানুষ যাতে ভালো থাকেন সেজন্য আমরা একটা পরিবার হিসেবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করব। করোনা নিয়ে এদিন নবান্ন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলাশাসক ও সিএমওএইচদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। ছিলেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, ফিরহাদ হাকিম, মলয় ঘটক, অরূপ বিশ্বাস, মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা-সহ বিভিন্ন দফতরের সচিব ও আধিকারিকরা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার প্রস্তুত। সমস্ত হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড রাখা হয়েছে। ক্যুইক রেসপন্স টিম তৈরি করা হয়েছে। সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় নজরদারি চলছে। কলসেন্টার নম্বর ১৮০০-৩১৩-৪৪৪২২২ এবং হেল্পলাইন নম্বর ০৩৩-২৩৪১২৬০০ রাখা হয়েছে। ওষুধ ও বিভিন্ন সরঞ্জাম আমদানির বিষয় চালু রাখতে কেন্দ্রকে চিঠি দিচ্ছেন বলে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পর্যাপ্ত মাস্কের জন্য কেন্দ্রকে বলা হয়েছে। ওষুধের দাম যেন না বাড়ে। মাস্কের কৃত্রিম অভাব তৈরির মাধ্যমে কালোবাজারি করলে রাজ্য সরকার কড়া পদক্ষেপ করবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের নির্দেশিকা মেনেই চলা হবে। জ্বর, সর্দি, কাশি মানেই কিন্তু করোনা নয়। তবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। এক ঘন্টা অন্তর বা কিছু ধরলে ভালো করে হাত ধুয়ে ফেলা উচিত। টিসু ব্যবহার করে ডাস্টবিনে ফেলবেন। যেহেতু এই ভাইরাস নতুন, ওষুধ নেই, ভাইরাস চিহ্নিত করার ল্যাবরেটরি বেশি নেই, বহু দেশে রোগ ছড়িয়েছে তাই সকলে সতর্ক থাকুন, তবে আতঙ্কিত হবেন না। অন্তর্দেশীয় বিমানের পাশাপাশি রেল স্টেশন ও বন্দরেও স্ক্রিনিংয়ের পরিকাঠামো রাখা উচিত বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী।