সনাতন ধর্মানুসারে, শ্রীকৃষ্ণ অত্যাচারীর বিরুদ্ধে দুর্বলের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন করতেই এই পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব শান্তিহীন পৃথিবীতে শান্তি আনতেই। দ্বাপর যুগের শেষ দিকে এই মহাপুণ্য তিথিতে মথুরা নগরে অত্যাচারী রাজা কংসের কারাগারে জন্ম নিয়েছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।
শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় বিশ্ব অনাচার আর অরাজকতায় পরিপূর্ণ ছিল। তাই মানবজাতিকে রক্ষার জন্য শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে। নানা ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে শ্রীকৃষ্ণ মানবজাতির কাছে জীবন ধারণের অনন্য উদাহরণ রেখে যান।
তাই জন্মাষ্টমী পালন উপলক্ষে দেশব্যাপী সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নানা ধর্মীয় আড়ম্বর-আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করেন। তবে করোনা মহামারির কারণে এ বছর সমাবেশ, শোভাযাত্রা, মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পালিত হয়।

ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুসারে, পাঁচ হাজার বছর আগে পাশবিক শক্তি যখন ন্যায়, নীতি, সত্য ও সুন্দরকে গ্রাস করতে উদ্যত হয় তখন সেই অশুভ শক্তিকে দমন করে কল্যাণ ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য অবতার হিসেবে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের জন্য যুগে যুগে ভগবান মানুষের মধ্যে অবতীর্ণ হন এবং সত্য ও সুন্দরকে প্রতিষ্ঠা করেন।
পঞ্জিকা মতে, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে যখন রোহিণী নক্ষত্রের প্রাধান্য হয় তখন জন্মাষ্টমী পালিত হয়। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সোমবার হুগলীর গোঘাটে প্রতি বছরের মতো এবারও জন্মাষ্টমী পালন করলেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক মানস মজুমদার। তিনি বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের জয় হিন্দ বাহিনীর হুগলী জেলার সভাপতি, সম্প্রতি তিনি দক্ষিণবঙ্গ রাজ্য পরিবহন সংস্থার আধিকারিক নির্বাচিত হয়েছন।
সকাল থেকে এলাকার বহু মানুষ এই জন্মাষ্টমী উৎসবে অংশ নেন। হাজির হন এলাকার বহু বিশিষ্ট মানুষ।