গত ছয় মাস ধরে ইনসেন্টিভ না পেয়ে তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে অবস্থান বিক্ষোভ আশা কর্মীদের। আজ থেকে সমস্ত কাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিন্ধান্ত আশা কর্মীদের। একাধিক দাবি নিয়ে তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে অবস্থান-বিক্ষোভে বসলেন তারকেশ্বর ব্লকের একশো জনের ওপর আশা কর্মী। অভিযোগ দীর্ঘ ছয় মাস ধরে তাদের ইনসেন্টিভ দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বারবার আবেদন করলেও তাদেরকে সেই ইন্সেন্টিভ দেওয়া হচ্ছে না।
অন্যদিকে স্বাস্থ্য ভবনে জানাতে গেলে তাদের কে অপমান করা হয় বলে অভিযোগ আশা কর্মীদের। আর এই অভিযোগ তুলে আজ তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে অবস্থান-বিক্ষোভে বসেন আশা কর্মীরা।
তাদের অভিযোগ নিয়োগ করা হয়েছিল গর্ভবতী মায়েদের হসপিটাল মুখী করতে এবং প্রসূতি মা ও বাচ্চাদের যাবতীয় পরিষেবা দেওয়া জন্য। অভিযোগ এই কাজ ছাড়াও তাদের প্রতিদিন করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া, করোনা পরীক্ষা, টিবি রোগীদের দেখাশোনা, স্বাস্থ্য সচেতন মূলক যেকোনো সার্ভে প্রভৃতি কাজ তাদের দিয়ে করানো হচ্ছে জোর পূর্বক, এর জন্য কোন পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। অন্যদিকে প্রসূতি মায়েদের দেখাশোনা করার জন্য যে বাড়তি পারিশ্রমিক দেওয়া হতো তা প্রায় ছয় মাস ধরে বন্ধ। বার বার স্বাস্থ্য আধিকারীকদের জানিয়ে কোন ফল পাননি বলে অভিযোগ।
অবশেষে আজ থেকে সমস্ত কাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিধান্ত নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন তারকেশ্বর ব্লকের আশা কর্মীরা।
এ বিষয়ে তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে স্বাস্থ্য আধিকারিক তাপস কুমার দাস জানান বিষয়টি আমার জানা ছিল না আমি আশা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছি পরে এই বিষয়টা নিয়ে ওনাদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধান করবো।