মধ্যপ্রদেশে আস্থা ভোটের কথা ছিল শুক্রবার ২০ মার্চ বেলা ২টো নাগাদ। তার আগেই পদত্যাগের কথা জানিয়ে রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডনের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে গেলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। তিনি বলেন, বিজেপি ১৫ বছর সরকারে ছিল, মধ্যপ্রদেশের মানুষ কংগ্রেসকে ৫ বছর সুযোগ দিয়েছিলেন। ১৫ মাস সময় পেয়ে মধ্যপ্রদেশকে বদলানোর চেষ্টা করেছি। দুই ধাপে কৃষকদের ঋণ মকুব করেছি, পরের ধাপ কয়েক দিনেই শুরু হতো। বিজেপি প্রথম দিন থেকে সরকার ফেলার ষড়যন্ত্র করেছিল। ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে ঘোড়া কেনাবেচার রাজনীতি করিনি। অথচ বিজেপি কংগ্রেসের ২২ বিধায়ককে কীভাবে বেঙ্গালুরুর রিসর্টে আটকে রেখেছিল, সেই সব খেলাই সামনে আসবে। মধ্যপ্রদেশের জনাদেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হলো। বিজেপি অনৈতিকভাবে ক্ষমতা দখল করলেও আমার আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরাতে পারবে না। এদিকে, বিজেপি শিবরাজ সিং চৌহানকেই ফের মধ্যপ্রদেশের কুর্সিতে বসাবে। এই পরিস্থিতির জন্য কংগ্রেস হাইকমান্ডের অদূরদর্শিতাই ফের প্রকট হলো বলে মত রাজনৈতিক মহলের। সুপ্রিম কোর্ট আজ আস্থা ভোট করাতে বলেছিল। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ আসতেই বিদ্রোহী কংগ্রেসি বিধায়কদের পদত্যাগ গ্রহণ করেছিলেন অধ্যক্ষ প্রজাপতি। তারপর কমল নাথের ইস্তফা ছিল সময়ের অপেক্ষা।