কেন্দ্রীয় সরকার নির্দেশিকা জারি করেই খালাস। পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরতে পারবেন নিজের রাজ্যে, যে রাজ্য থেকে যে রাজ্যে ফিরবেন সেই দুই রাজ্য সরকার নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ফেরানোর প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করবে।

লকডাউন হঠকারীভাবে জারি করার আগে রাজ্য সরকারগুলিকে জানানো হয় না। ঠেলা সামলাতে না পেরে সমস্যা সমাধানের দায় আবার কেন্দ্রীয় সরকার নেয় না! পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশার ছবি এবার সামনে এলো বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে। বাংলায় খুঁত খুঁজে বের করা বিজেপি বাবুদের চিল্লানি শুরু হয়ে যেত বাংলায় এমন ঘটনা ঘটলে। ফেক নিউজ ছড়িয়ে এমনিতেই যা চলছে! মহারাষ্ট্রের থেকে অনেক কষ্ট করে বাড়িতে ফিরতে চাইছিলেন কয়েকশো শ্রমিক।

বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল সকালে মধ্যপ্রদেশের সীমানায় এলে তাঁদের বাধা দেয় পুলিশ। রাজ্যে ঢোকার অনুমতি দেয়নি সরকার। ফলে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৩ নম্বর জাতীয় সড়কে সেন্ধোয়ায় ঠায় রোদে বসিয়ে রাখা হয়েছে কয়েকশো পরিযায়ী শ্রমিককে। ভিড়, পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের বাগবিতণ্ডায় সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং শিকেয়। কী, দিলু-বাবুল, ফেকু ইউনিভার্সিটির অধ্যাপকরা! বাস্তব ছবি দেখে টুইট হবে না?
