রাজ্যে করোনা আক্রান্তের ও মৃতের সংখ্যা বাড়ল। বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল নবান্নে মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ১৫ জন, মোট সুস্থ হয়েছেন ১৩৯ জন। ফলে করোনা পজিটিভ রয়েছে ৫৭২ জনের। অডিট কমিটি জানিয়েছে, তাঁরা ১০৫টি ডেথ কেস অডিট করেছে। ৩৩ জনের মৃত্যুর কারণ করোনা, বাকি ৭২ জন কো মরবিডিটির কারণে মারা গিয়েছেন। গতকাল মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২২, তবে তার মানে এই নয় যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জন মারা গিয়েছেন। ডেথ সার্টিফিকেটে অডিট করেনি ওই কমিটি। তবে স্বাস্থ্য দফতরকে সুপারিশ করেছে আইসিএমআর ও হু-র গাইডলাইন মেনে আন্ডারলাইনড, ইমিডিয়েট, অ্যান্টিসিডেন্ট কারণ ডেথ সার্টিফিকেটে লিখতে হবে।
রোগীর চিকিৎসা ও মৃত্যু হলে সব কেস হিস্ট্রি যথাযথভাবে লিখতে হবে। মুখ্য সচিব জানান, ২টি জেলা থেকে ২৫ দিনে, ৩টি জেলা থেকে ১২ দিনে ও ২টি জেলা থেকে ৭ দিনে নতুন সংক্রমণের খবর নেই। এখন রোগী আসছেন কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও হুগলি থেকে। তার মধ্যে প্রথম তিন জেলা থেকেই ৮০ শতাংশের বেশি রোগী এসেছেন। বাংলাজুড়ে সবমিলিয়ে ৪৪৪টি কনটেনমেন্ট জোন রয়েছে। এর মধ্যে কলকাতায় ২৬৪টি, হাওড়ায় ৭২টি ও উত্তর ২৪ পরগনায় ৭০টি।
রাজ্যে ল্যাব চালুর অনুমতি দিতে কেন্দ্রীয় সরকার গড়িমসি করেছে বলেও মুখ্য সচিবের কথায় ইঙ্গিত মিলেছে। তার মধ্যে আবার রাজারহাটে সিএনসিআইয়ে টেকনিক্যাল কারণে নমুনা পরীক্ষা বন্ধ আছে। ১৩টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৯০৫টি। সবমিলিয়ে রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৬৫২৫টি। সরকারি কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫২৮৮ জন। হোম কোয়ারেন্টিন থেকে আরও ৮৯৭২ জন ছাড়া পেয়েছেন। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ১০৭৭৩ জন। কোভিড হাসপাতালের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৭।