রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও সমাজবাদী নেতা কাশীকান্ত মৈত্র প্রয়াত হলেন। শনিবার বিকেল ৪.৩০ মিনিটে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৬। তিনি কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবীও ছিলেন। স্বাধীনতার পর বাংলায় ভূপাল বসু, দেবেন সেন প্রমুখের সঙ্গে তিনি সোস্যালিষ্ট আন্দোলনে যুক্ত হন। তিনবার রাজ্যের মন্ত্রী ও ৬ বার বিধায়ক হয়েছিলেন। তাঁর আদি বাড়ি নদিয়ার শান্তিপুরে। তাঁর পিতা পন্ডিত লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র ড. আম্বেদকারের নেতৃত্বাধীন সংবিধান তৈরির খসড়া কমিটির সদস্য ছিলেন। লক্ষ্মীকান্তবাবু প্রথম নির্বাচনে নবদ্বীপ লোকসভা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস প্রার্থী হয়ে জয়ী হন। কাশীকান্তের একমাত্র পুত্র বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. সুব্রত মৈত্র ৩ বছর আগে প্রয়াত হয়েছেন। কাশীকান্তবাবু রেখে গেছেন তাঁর স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাকে। ৯৪/৯৫ বছর বয়সেও তিনি হাইকোর্ট-সহ বিভিন্ন সভা-সমিতিতে যেতেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন। রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, সুজিত বসু এবং তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ দোলা সেন বাড়িতে গিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান। শেষ কৃত্যের সব ব্যবস্থা তাঁরাই ব্যবস্থা করছেন। ক্যালকাটা কালচারাল সেন্টারের সম্পাদক পল্লব মিত্র তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সেন্টারের সহ-সভাপতি হিসেবে তিনি আমাদের পথ দেথাতেন। ১৯৬৭ সালের ২ মার্চ রাজ্যে গঠিত প্রথম যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভার শেষ জীবিত সদস্য ছিলেন তিনি।