গণেশ রায়ের অপমৃত্যুকে ঘিরে বিজেপি রাজনীতি করতে ছাড়ে নি। কিন্তু ঘোলা জলে মাছ ধরতে গিয়ে হাঁপিয়ে উঠে পিছু হঠতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু হাল ছাড়ে নি। বিজেপি দায়ী করেছে তৃণমূলের কর্মীরাই গণেশ রায়ের মৃত্যুর জন্যা দায়ী। সরাসরি দায়ও চাপিয়েছে বিজেপি। মানসের কথায় ওরা নোংরা রাজনীতি করতে নেমেছে। আমরা সংঘাতের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। করবোও না কখনও। তাই তো নিয়ভঙ্গের দিন আমি নিজে স্বশরীরে উপস্থিত হয়েছি। গণেশ রায়ের দিদির পাশে বসে দুপুরের খাবর খেয়েছি অঞ্চল সভাপতি সনজিত পাখিরাকে সঙ্গে নিয়ে। গণেশ রায়ের দিদি কাজের ব্যাপারে বলেছিল জব কার্ডের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। খানাটি গ্রামে কিছু সমস্যা রয়েছে। স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় যা মানুষের প্রয়োজন। আমি তার ব্যবস্থা করেছি। উন্নয়নতো আমরা করছি। রাতারাতি তো সব হয়ে যায় না। প্রশাসনিক কাজ কর্ম করতে কিছু সময় লাগে. সেই সময়টুকু দিতে হবে। তাছাড়া গোঘাট পঞ্চায়েতে কিছু আর্থিক সমস্যাও আছে। সেদিকটাও দেখতে হবে। তবে গ্রামবাসীরা যে সব সমস্যার কথা আমায় বলেছে। আমি শুনেছি। কাজ যত শীঘ্র সম্ভব শুরু হয়ে যাবে।
বিজেপি বলছে ভোটের রাজনীতি। সামনে ভোট তাই এলাকার বিধায়ক কল্পতরু হতে চাইছেন। এতদিন কি করছিলেন, নাকে সর্ষের তেল দিয়ে ঘুমচ্ছিলেন। দেখবেন গণেশ রায়ের মত্যুর জবাব ভোটাররা ব্যালেট বক্সে দেবে। বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ মনে করছেন, এটা তাঁদের ভোট কেনার রাজনীতি। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের দলের কর্মী খুনের ঘটনায় নিজেদের অপরাধ ঢাকতেই তড়িঘড়ি উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন বিধায়ক। কিন্তু ওই গ্রামে বিজেপির সংগঠনে কোনও হেরফের হবে না।’’

মানসের কথায় সংগঠন যার যার কিন্তু উন্নয়ন সকলের জন্য। বিধায়ক হিসেবে এই অঞ্চলের উন্নয়নের দায়িত্ব আমার কাঁধে। আমাকে কেউ জানায় নি, আজ এখানে এসে জানলাম কাজ শুরু করার নির্দেশও দিয়েছি।
এখন চলছে প্রতিবাদ সভা। কেন্দ্রের যে সব জনবিরোধী নীতি মোদী সরকার নিয়েছে তা সাধারণ মানুষকে বোঝানোর দরকার। সরকারি সংস্থা বেসরকারিকরণ, চাকরি থেকে ছাঁটাই যা খুশি তাই করে যাচ্ছে। এই মহামারীর সময় মানুষকে দু-টো ভাতের ব্যবস্থা করে দিক আগে তারপর নয় রাজনীতি করবে। বিজেপি এখানে নোংরা রজনীতি করতে চাইছে। গোঘাটের শান্ত পরিস্থিথিকে উত্তপ্ত করতে চাইছে। আমরা সেটা করতে দেব না। রাজনীতি দিয়েই রাজনীতির জবাব দেব। সময়ই সেটা বলবে, কে ঠিক বেঠিক।