বেগুনী রঙের ধানের পাতা শুনে আশ্চর্য হচ্ছেন? আসলে ধানের পাতার রং সবুজ বা হালকা সবুজ বলেই জানি। কিন্ত ছত্রিসগড়ে অনেক গুলো বাদামী রঙের ধান কৃষকরা সংরক্ষণ করছেন। কলাবতী ধানে চারা লাগানোর প্রথম থেকে বেগুনী বর্ণ ধারন করে। চওড়া পাতা। গাছ লম্বা। ধানের শীষ বেশ বড়, কালচে শীষ। চালের রং কালো এবং অসুগন্ধী। এই রকম কয়েকঠি ধান হল খাড়া, দোপানা, ইক্কোমোটা ইত্যাদি। বলা বাহুল্য জৈব সারে এই ধানের চাষ করা হয়। সব কয়েকটি ধানের ফলন বিঘায় ১৪ মণের কাছাকাছি।

খাড়া ও কলাবতীর ফলন ১৫ মণের বেশী। এই সব ধান এটিসি ফুলিয়ার মাধ্যমে রাজ্যের বহু কৃষকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। দক্ষিন ২৪ পরগণা জেলার বারুইপুর ব্লকে ২০১৬ সালে একলপ্তে প্রায় ১৫ বিঘা চাষ হয়ে রাজ্যে রেকর্ড করেন কৃষক নন্দীশ্বর নস্কর। এর চাল লাল, সুস্বাদু। রাসায়নিক দিক থেকে এখানে সালোক সংশ্লেষকারী সবুজকণা ক্লোরোফিলের পরিবর্তে বেগুনী বর্ণের আনথোসায়নিন আছে। এই আনথোসায়ানিন হল প্রমানিত অন্টিওক্সিডেন্ট, ক্যনসার প্রতিরোধী এক জৈব রাসায়নিক। এই রঙের গাছে রোগ ও পোকা হয় না বললেই চলে। ওড়িষ্যার সম্ভব সংগঠন থেকে খাড়া ও কলাবতী ধান সংগ্রহকরা কালীন শ্রমতি শবরমতী জানিয়েছিলেন ওই ধানের কচি বেগুনী পাতা ব্যসনে ভেজে বড়া করে পোকড়া হিসেব খাওয়া যায়। পুষ্টিকর। চাষীরা এই ধানে বড়া খেতে শুরু করেছেন। খাদ্য তালিকায় রাজ্যে নতুন সংযোগ।


আন্টিঅক্সিডেন্ট যুক্ত আনথোসায়নিন যুক্ত বেগুনী রঙের ধানের পাতার বড়া। খাড়া ধানেরও হয়।