“কিন্তু [দুইজনের] ঠিক মাঝখানে একটি মৃত বালিকা শুইয়া রহিল, কেহ তাহাকে লঙ্ঘন করিতে পারিল না।”
এক
এসো।
মশারির ভিতর থেকেই মেঘ মেঘ গলা, থমথমে। শিপ্রা থমকে দাঁড়িয়ে গেল।
কই, এসো।
ওই ডাকটা আবার। এবার আরও ছটফটে, গম্ভীর। হুকুম, না অনুমতি, ঠিক বোঝা যায় না। শিপ্রার হাঁটু থেকে কোমর থরথর।
তু-তুমি জেগে গেছ?
চেরা বাঁশের ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া কাঁপা গলা শিপ্রার।
ঘুমোলাম কখন, যে জাগব? যাক, এসো এইবার।
তুমি তা হলে টের পেয়েছিলে? জানতে?
সব। পা টিপে টিপে বিছানা থেকে নামা, জুতো জোড়া পায়ের বদলে হাতে তুলে নেওয়া—
সমস্ত?
সমস্তই। এমনকী দরজার পাল্লা আলতো হাতে খোলা, বাইরে থেকে যেন মখমলের দস্তানা পরা হাতে বন্ধ করা, পাছে আমার ঘুম ভাঙে, তাই না?
আর বোলো না।
ততক্ষণে সমিধ মশারির ঘেরাটোপের বাইরে বেরিয়ে এসেছে। তার পরনে সেই পা-জামা আর জালি গেঞ্জি, চোখ শিপ্রার কপালের জ্বলজ্বলে টিপটায়, না বুকের খাঁজের তিলটায়, এই আবছায়ায় তা ঠিক ঠাহর হয় না।
সমিধের চোখে পলক নেই।
পলক নেই শিপ্রারও। মাথা নোয়ানো, তাই ঠিক বোঝা যাচ্ছে না।
একটু হাসল সমিধ। মানে, হাসতে চাইল, চেষ্টা করল। তার হাতে একটা বালিশ, মোটা চাদর একটা।
যাও, বিছানায় যাও। হাতের জুতোজোড়া এবার নামাও। আমার ভাঙা ঘুম আর তো ভাঙবে না। তবু যে একটু আমার সুবিধে-অসুবিধের কথা ভেবেছিলে, সে জন্যে ধন্যবাদ। সত্যি শিপ্রা, তোমার সুবিবেচনার তুলনা হয় না।
হাতে বালিশ আর চাদর, তুমি যাচ্ছ কোথায়?
কেন, পাশের ঘরে। ওটা আশা করি সরে যায়নি। কিংবা গেলেও তোমারই মতো ফিরে এসেছে। তোমারই সঙ্গে।
এই বিছানায় শোবে না তুমি? এই ঘরেও না? অথচ মনে হল ক্ষমা করেছ, ডেকেছ ‘এসো’ বলে।
তুমিও তো ফিরে এলে। খালি জানি না যে কেন। সব জানি, শুধু এইটুকু না। কী হয়েছিল? অনীশ সেই বকুলতলাটায় ছিল না বুঝি?
না। ধরা গলা শিপ্রার।
আহা রে। হয়তো বেচারা টাক্সি পায়নি। এই কলকাতায় ট্যাক্সি তো প্রায় লটারি। বিশেষ করে মাঝরাতে।
একা একা আমি, ওই ডবল বেডটাতে?
নাচার। আর একটা মানুষ যেখানে হাজির, সেখানে আমরা স্বামী-স্ত্রীতে মিলে—ছিঃ।
সে তো নেই। আসেনি।
এসেছে, আছে। গলা ফের গাঢ় গূঢ় সমিধের।
টের পাচ্ছ না, তুমি টের পাচ্ছ না শিপ্রা, তার নিশ্বাস আমাদের চোখে, মুখে, ঘাড়ে। হয়তো বরফ-বরফ বাতাস পাঁজরা ঠেলে ঢুকে যাচ্ছে বুকের ভেতরেও।
বাজে যত ভাবনা। আকাশ হতে গিয়েও তোমার কোথাও আটকাচ্ছে।
সমিধ মরা-মরা হাসল।
আটকাচ্ছে? হবে। পার্ট করতে গিয়েও এমন ভুলচুক হয়েই থাকে অ্যাক্টারদের। তা ছাড়া এক সঙ্গে শোব বলছ যে, কিন্তু আমি কী করে ভুলি শিপ্রা, তুমি নিজের ইচ্ছেয় আমার কাছে ফিরে আসোনি? এসেছ সে ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় দাঁড়ায়নি বলে। টাইমিং-এ একটু গোলমাল হয়ে গেছে। আর কি। নইলে তুমি হয়তো বর্ধমান কি বাগনান ছাড়িয়ে যেতে এতক্ষণে। তার কথা থাক। আমি যে তোমাকে আটকাতে পারিনি, সেই লজ্জা সেই আড়ালটুকু তো রয়েই যাচ্ছে। যাবেও।
ছুরি দিয়ে ফালাফালা করা তোমার কথা। আমি তবে একলাই—? এই বন্দোবস্ত, এই শাস্তি? বরাবর?
সমিধ এবার চওড়া করে হাসল।
আহা-হা; বরাবর হতে যাবে কেন। আলাদা একটা বাধা—সেটা অনীশ যতক্ষণ, যতদিন আছে। ধুলোর ঝড় কি থিতিয়ে যায় না, ভূমিকম্প কি থামে না? সব থিতোয়, সব থামে। আমি রিয়েলিটিকে জানি। একালের মানুষ তো। তাই মানিও। নির্ঘাত জানি, আজ হোক, কাল হোক ও যাবে। যাবেই। তখন দেখো, তুমি আমি ফের এক বিছানায়, যে-ঘরে, সেই ঘরে। একটু সবুর শুধু। মাঝের ওই তৃতীয় ছায়াটাকে সরে যেতে খানিকটা সময় তো দেবে? দাও মা লক্ষ্মীটি একটু ধীরেসুস্থে ঠান্ডা মাথায় ভেবেটেবে।
দুই
কে?
কই, কেউ তো না।
তাই হবে। আমারই ভুল।
আজকাল এরকম ভুল তোমার প্রায়ই। থেকে থেকে চমকে ওঠো। বালিশটা একটু ঠিকঠাক করে নাও, চাও তো আমাকে জড়াও।
নীপা জড়ানো গলায় বলল, ভয় করে যে।
কীসের ভয়?
মিতা যেন এসেছে গুটিশুটি, আমাদের শিয়রে। বসে আছে। একদৃষ্টে চেয়ে আছে। আচ্ছা, কারও চাউনি কখনও ছুঁচের মতো হতে পারে?
হো হো করে হেসে উঠল শ্যামলেন্দু।
পাগলি আর কাকে বলে? আরে মিতা তো তার মনের মানুষটাকে নিয়ে কেটে পড়েছে সেই কবে। আমারই বন্ধু সেই মলিনের সঙ্গে। তা বছর চার-পাঁচ তো হলই। ওদের দু’-একটা কাচ্চা-বাচ্চাও হয়ে যাওয়ার কথা এত দিনে। অপেক্ষা করেছি বেশ কিছুদিন। তোমাকে তো তার পরে।
হ্যাঁ, সাবস্টিটিউট।
শুনেছি ওরা ঘর বেঁধেছে ভেনেজুয়েলায় না মেক্সিকোতে। শ্যামলেন্দু বলে উঠল কলকল গলায়, কথা ঘোরাতে।
ঘর বেঁধেছি তো আমরাও। কিন্তু এটা কি ঘর?
কেন, তোফা ফ্ল্যাট, সাজানো গোছানা। তোমার মনে ধরেনি নীপা?
পাশ ফিরে নীপা বলল, কী জানি। তোফা ঘর, তবু কেমন যেন নড়বড়ে।
একটা সিগারেট ধরাল শ্যামলেন্দু।
ওহ, বুঝেছি। সাউথ আমেরিকায় প্রায়ই ক্যুদেতা, রাজ্যপাটে পালাবদল, কিংবা মলিনের ব্যাপার স্যাপার তো। কিছুই বলা যায় না। ঘোর কাটতে কতক্ষণ? বিশেষ করে ও দেশের কোনও মেয়ের পাল্লায় পড়তেও তো পারে। তুমি ভাবছ, ওদের ঘরও নড়বড়ে, যদি বাসাভাঙা পাখির মতো মিতাও একদিন হঠাৎ এসে পড়ে—যদি পড়ে? নীপা, এই তো তোমার ভয়?
দেওয়ালের দিকে মুখ ফিরিয়ে নীপা, নিঢেউ, বলে গেল, বলতেই থাকল, না, তা-ও নয়। তার চেয়েও বেশি। মিতা আসবে কি, সে তো এসেই গেছে। আসছে। রোজ, রোজ। জানো, তুমি যখন দু’হাত বাড়িয়ে আমাকে সাপটে বুকের মধো টেনে নাও, ভারী ভয় হয়, নিজেকে কাঠকাঠ ঠেকে। ভাবি, কোন খেতে বীজ বুনছ, আর আদর করে জড়িয়েছ সে কি আমাকে? এই চিমটি, এই বিছুটির জ্বালা যে বিছানায়, সেখানে কোন ভরসাকে আঁকড়ে ধরব, বলো মুখ গুজব কোন বুকে?
তিন
দারুণ সারপ্রাইস আছে, জানো?
সুখবর, না ভয়ের? বস-এর ডিকটেশন নাও, উনি আবার যা বদমেজাজি, কোনও বড় রকমের ভুলভাল করে বসোনি তো?
শমিতা বলল, হাঁদারাম, বোকা কোথাকার! এই দ্যাখো।
নীলাক্ষ হাত বাড়িয়ে টাইপ-করা কাগজটা নিল। পড়ল। পুরু চশমার ফাঁক দিয়ে বলল, প্রোমোশন?
ইয়েস সার। একেবারে পারসোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট, বড় সাহেবের। পে আর পার্কস মিলিয়ে বাড়তি টাকাটা পাঁচশোর মতন।
কনগ্র্যাটস, বলল নীলাক্ষ। শুকনো।
বাস? আর কিছু বলবে না?
আর? হ্যাঁ, সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র।
ছেঁদো কথা। আসল জয় যোগ্যতার। সার নাকি আমার মতো কমপিটেন্ট, ডিভোটেড এমপ্লয়ি বেশি দ্যাখেননি।
ওঁর জহুরি চোখ।
সেলিব্রেট করবে না?
শমিতার গলায় আদুরে অভিমান।
নিশ্চয়। চা তো খেতেই হয়। চলো ক্যান্টিনে।
উঁহু। ক্যান্টিন কেন, আজ কেন। আজ ভাল একটা রেস্তোরাঁ।
তারপর?
তারপর সিনেমা। ভীষণ ভাল একটা ছবি এসেছে পিকচার প্যালেসে।
নীলাক্ষর হাত স্বয়ংক্রিয় কোনও প্রবণতায় ঢুকে গেলে পকেটে। টাকা কুড়ি-বাইশ হতে পারে। মার বাতের ব্যথা, মাসাজের মালিশ। বাবার ক্রনিক হাঁপানি। তার চেয়েও গুরুতর কোনও ব্যামো কি না, সেটা ঠাহর করতে হলে এক্স-রে দরকার। অফিস কো-অপে দরখাস্তের মুশাবিদা করাই আছে। কাগজটা পকেটেই। খসখস। তখন খেয়াল হল, সেটা জমা দেওয়াই হয়নি। এত ভুল?
চায়ের দোকান। পেয়ালা পিরিচের টুংটাং। ছুরি কাঁটা লেনদেন করতে গিয়ে কেন যে শমিতার গায়ে-পড়া ছোঁয়াছুঁয়ি। আঙুলে আঙুলে। খুশিতে শমিতা এখন ফেনায় ফেনায় এসপ্রেসো কফি। স্বাভাবিক। ন্যাপকিনে মুখ মোছা। কমপ্যাক্ট বের করে গালের পলেস্তারার মেরামতি। বিল। নীলাক্ষ পকেটে হাত ঢোকাল। সেই টাকা কুড়ি বাইশ। নোট খসখস। মার বাতের ব্যথা, বাবার হাঁপানি। যাক একদিন তো মোটে। এক দিনেই মার কি আর পক্ষাঘাত হবে, বাবার উঠবে নাভিশ্বাস? ওষুধ? কাল দেখা যাবে। আজকের পরও কাল আছে কিন্তু এই বিল? এর আগামী কাল বলে কিছু নেই। যা করার তা এই মুহর্তে, এক্ষুনি।
কারণ শমিতা ওর নিজের ব্যাগটায় হাত ঢোকাচ্ছে। জান কবুল নীলাক্ষ, ঠেকাও, ঠেকাও। নইলে প্রেসটিজ? সেটা যে যায় যায়। আজ সেটা যেন তেন প্রকারেণ বাঁচানো। চাই-ই চাই। অন্তত আজ। কাল তো কাল। হামলে পড়ে নীলাক্ষ বিল চুকিয়ে দিল। স্বাভাবিক।
ফেরত এল মোটে আশি পয়সার মতো। তবু নীলাক্ষ কায়দা করে ইংরেজিতে ওয়েটারকে বলে, কিপ দা চেঞ্জ।
তার অনার্স ইংলিশে। শমিতা টায়ে টোয়ে পাশকোর্স। একই সঙ্গে দরখাস্ত করেছিল দু’জনে। একই অফিসে, একই দিনে। চাকরিতে বহালের দিনটাও ঘটনাচক্রে এক। নীলাক্ষ আসিস্ট্যান্ট, আর শমিতা টাইপিস্ট। নীলাক্ষ যা আছে তাই—আটশো টাকা বেড়ে এখন নেট টেকহোম পে আটশো তেত্রিশ। শমিতা? ক্রমে স্টেনো। বড় সাহোবর স্নেহ, ঘরে ঘন ঘন ডাক। আজ থেকে পি-এ। সব মিলিয়ে কমসে কম হাজার দেড়-দুই তো হবেই।
টিকিট কাটা ছিল। শমিতা কেটে রেখেছিল। সে আধো অন্ধকার হলে ফিসফিস করে বলল, দু’জনেরটা মিলিয়ে আড়াই হাজার ছাপিয়ে তো যাবেই। কোয়াইট রিজনেবল, না?
ইয়েস, টু স্টার্ট উইথ।
নীলাক্ষ বলতে গেল, গলা খুলল না। মা’র বাত, বাবার হাঁপানি, ঈশ্বর জানেন তার চেয়েও সাংঘাতিক কিছু কি না, এবং কী। আলাদা বাসা? বকম বকম কপোতকপোতী?
ম্যারেজ রেজিষ্ট্রারকে আমরা নোটিশ দিচ্ছি কবে?
যবে বলো। দা সুনার, দা বেটার।
যে নীলাক্ষ, যান্ত্রিক, কথাটা বলল, সেই নীলাক্ষই কিন্তু শমিতার কথাটার জবাব দিল না। কথার পিঠে কথা, মুখ ফসকে। রিফ্লেক্স।
সে ছবি দেখছিল। সে ছবিটা দেখছিলও না। যদিও রগরগে। আনসেন্সরড। ফিনফিনে। পোশাক, বেডরুম সিনটায় থই থই অথই শরীর প্রায় উদাস। যেন জন্মমুহূর্তের প্রদর্শনী। তবে তারিফ করতে হয় ক্যামেরার কায়দামাফিক সহবত আর কারসাজির।
যেহেতু নীলাক্ষর চোখের ক্যামেয়ায় চেতনে-অবচেতনে কিছু-না-কিছু দৃশ্য আঁকা হয়ে যাচ্ছিল, তাই সে থেকে থেকে অস্থির, উত্তেজনা বোধ করছিল দস্তুরমতো। বুক থেকে তলপেট অবধি কেমন একটা ছড়ানো সাড়া, অব্যক্ত বাসনা-বেদনা।
প্রেক্ষাগৃহ ছাইছাই ধূসর। তার হাত পাশের হাতলের দিকে এগিয়ে যায় এক একবার সসাহসে অসাধ্যরোধ ইচ্ছায়, আবার ভীরুতায় পিছিয়েও আসে। কেরানি আর বড় সাহেবের খাস সচিব। আটশো তেত্রিশ আর প্রায় দুই হাজার।
রেজিস্ট্রারের অফিসে নোটিশ? দিতে হবে। দিতে তো হবেই। কিন্তু—কিন্তু যেখানে হাতই রাখা মুশকিল পাশের হাতলে রাখা হাতে, সেখানে কী করে, হে ঈশ্বর, তোমার চেয়েও নাগালের বাইরে একটা স্বচ্ছন্দ বিছানা?
ফলে শমিতা যখন কানে কানে বলছে, এই জায়গাটা কী থ্রিলিং আর সেক্সি, দ্যাখো, দ্যাখো, তখন গা শিউরে ওঠে নীলাক্ষরও স্রেফ অন্য একটা কারণে। প্রায় আটশো টাকার ফারাক ডিঙোনোও কি সোজা?
নীলাক্ষ অবশ্য মুখ ফুটে তখনই শমিতাকে তার মনের ভাব বলে না। বুকের বোতাম খুললে ঘন রোমও যে বেরিয়ে পড়ে।
তাই অমায়িক নীলাক্ষ গলা আরও নিখাদ কোমল করে বলে, এ রকম সিন জানো, তৈরি করতে পারব আমরাও। রেজিস্ট্রারকে একবার একটা নোটিশ দিলেই, ব্যস সব সাফ, সব খোলা। কিন্তু উজ্যুগ করতেও কিছু টাকা চাই যে। শমি, আমাকে গোটা কয়েক টাকা দিতে পারো? এই ধরো বিশ কি বাইশ?
দুটো বেডরুম সিন তখন তার চোখের সামনে। পরদাটায় লুটোপুটি, ছুটোছুটি। আর পচাগলা একটা গলির আস্তরখসা ঘুপচি ঘরে কাতরানি: মায়ের বাত, বাবার শ্বাসকষ্ট, বুকের ব্যামো।
“[দুইজনের] ঠিক মাঝখানে একটি মৃতা বালিকা শুইয়া রহিল, কেহ তাহাকে লঙ্ঘন করিতে পারিল না।” -সেই গল্পটারই কয়েকটা রকমফের। পুরনোকে নতুনকালের ছাঁচে ঢালাই করে পরখ করা। মাইকেল, ও’নিল প্রভৃতির নজির নজরে রেখে। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথেরও। আবার তাঁর একটি বিখ্যাত গল্পকে হরেক সম্ভাব্য দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা—হয়তো স্পর্ধা। তবে কি না দম্পতি বা প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যবর্তী বাধার চেহারা কি একটা?
১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪