করোনার প্রকোপে ২ বছর বন্ধ থাকার পর এই বছরের জুলাই মাসের ২১ তারিখে শহীদ সমাবেশের আয়োজন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুব্রত বক্সি, মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতার মেয়র ববি হাকিম, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দোপাধ্যায়রা নতুন তৃণমূল ভবনে মিটিং করেছেন সমস্ত জেলা নেতৃত্বদের নিয়ে। প্রেস কনফারেন্স করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুখেন্দু শেখর রায়। পার্থবাবু বলেছেন করোনার কারনে গত দু-বছর আমরা শহিদ দিবস পালন করি নি। এবার করবো।

হাওড়া গ্রামীণ জেলার মধ্যে এবারে প্রথম ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা উপলক্ষ্যে বর্ধিত কর্মীসভা করলো উদয়নারায়ণপুর বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেস। প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন হাওড়া গ্রামীণ জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান তথা উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক সমীর পাঁজা-সহ পঞ্চায়েত সমিতি, ১৬টি অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বস্তরের নেতৃত্ব, যুব, মহিলা, ছাত্র নেতৃত্ব-সহ বিভিন্ন শাখা সংগঠনের নেতারা। গড়ভবানীপুর এলাকার রায়বাঘিনী রাণী ভবশঙ্করী অডিটোরিয়াম হলে এদিন প্রস্তুতি সভা উপলক্ষ্যে উদয়নারায়ণপুর কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধিত কর্মীসভায় বিধায়ক তথা হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান সমীর পাঁজা বলেন, “২১ জুলাই শহিদ স্মরণে ধর্মতলা যাবার আগে উদয়নারায়ণপুরের ৩৩০টি বুথেই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে ধর্মতলার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে। পাড়ায় পাড়ায় দেওয়াল লিখন সেরে ফেলতে হবে দ্রুত। ফ্লেক্স বা ব্যানারে ব্যবহার করা যাবেনা কোনও ব্যক্তির নাম, ছবি … শুধুমাত্র সংগঠনের নাম ব্যবহার করবেন। অনুরোধ করবো কোনও কর্মী শহীদ সমাবেশে যাবার নাম করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোনওরকম চাঁদা বা টাকা তুলবেন না, অভিযোগ পেলেই দল ব্যবস্থা নেবে, সে যতো বড়োই নেতা হোক না কেন।

আমরা এবারে সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমাদের উদয়নারায়ণপুর বিধানসভার কেন্দ্রের ১৬টি অঞ্চলের মধ্যে প্রতিটি অঞ্চল থেকে ৭০০ জন করে দলীয় কর্মীদের নিয়ে রওনা দেবো ধর্মতলায় শহীদ সমাবেশে। কিন্ত কর্মী, সমর্থকদের সংখ্যাটা ১০ হাজারেরও বেশি হওয়ায় বাধার সৃষ্টি হচ্ছে যানবাহন। এদিন আক্ষেপের সাথেই হাওড়া গ্রামীণের তৃণমূলের চেয়ারম্যান সমীর পাঁজা জানান, আবেগের এই ২১ জুলাইয়ে ধর্মতলায় যেতে কারো যাতে সমস্যা না হয় তার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে গাড়ি, যানবাহন না মেলায় আমরা চেষ্টা করছি পার্শ্ববর্তী বিধানসভা বা জেলা এলাকার যানবাহনের ব্যবস্থা করবার।”