রান্নার গ্যাস, পেট্রোল, ডিজেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি-সহ বিজেপি সরকারের জন বিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হলো উদয়নারায়ণপুর বিধানসভার আনুলিয়ার প্রেমরোড সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী ময়দানে। উক্ত প্রতিবাদ সভামঞ্চ থেকে আনুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির সভাপতি শেখর সিং-সহ তাঁর নেতৃত্বে আনুলিয়ার ১৬টি বুথ থেকেই প্রায় ৮৫০ জন বিজেপির দলীয় কর্মীরা যোগদান করেন তৃণমূল কংগ্রেসে। এঁদের প্রত্যেকের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান তথা উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক সমীর পাঁজা।

এদিন প্রতিবাদ সভামঞ্চ থেকে বিজেপিকে চাঁচাছোলা আক্রমণ করে সমীর বাবু বলেন, “শুধু নির্বাচন এলে নানা রকম ভাঁওতা দেওয়া প্রতিশ্রুতি, জাত-ধর্মের নামে বিভেদের রাজনীতি, প্রতিহিংসা মূলক কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করে বেছে বেছে তৃণমূল কংগ্রেসকে মানুষের কাছে বদনাম করার যে চক্রান্ত… তা ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি টের পেয়েছে। সদ্য বালিগঞ্জ বিধানসভা ও আসানসোল লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপিকে ধুয়ে মুছে সাফ করে দিয়েছে সাধারণ মানুষ। বিচার ব্যবস্থার প্রতি সন্মান জানিয়ে বলি আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে, বিচারাধীন বিষয় নিয়ে আমি একটি মন্তব্যও করবো না। শুধু হতাশ হই, অবাক লাগে বর্তমান কেন্দ্রের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতা থেকে শুরু করে রাজ্যের তদানীন্তন বামফ্রন্ট সরকারের ক্ষেত্রে যে সমস্ত দুর্নীতিপরায়ন নেতাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় না।”

আগামীতে হাওড়া গ্রামীণ জেলাতেও বিজেপি কে ম্যাপে খুঁজে পাওয়া যাবে না। রাজনৈতিকভাবে বিজেপির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। এদিন প্রতিবাদ সভায় হাওড়া গ্রামীণের তৃণমূলের চেয়ারম্যান, বিধায়ক সমীর পাঁজা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন…..আমতা ১নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ধনঞ্জয় বাকুলী, উদয়নারায়ণপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দীপঙ্কর দাস, আনুলিয়া অঞ্চলের তৃণমূলের সভাপতি শান্তনু সেনাপতি প্রমুখ।