প্রত্যন্ত গ্ৰাম, প্রত্যন্ত বাড়ি। দরজায় কড়া নাড়ছেন জেলা সভাধিপতি সেখ আলহাজ্ব মেহবুব রহমান। উদ্দেশ্য একটাই মানুষ দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক পাচ্ছেন তো? না কী কেউ বঞ্চিত হচ্ছেন! গত ১১ জানুয়ারি থেকে এভাবেই একটার পর একটা পঞ্চায়েতে দিদির দূত হয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই ১৭টি পঞ্চায়েতে মানুষের জন্য দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজ পৌঁছেছে কী না তা তিনি দেখেছেন। মঙ্গলবার তিনি জেলার প্রত্যন্ত পঞ্চায়েত গোঘাটের মান্দারণে গিয়ে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে দাঁড়িয়ে সুবিধা অসুবিধার কথা শুনলেন।

প্রসঙ্গত, মেহবুব সাহেব প্রথমে এখানে একটি শিবমন্দিরে পুজো দেন। সকল গ্ৰামবাসীর আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। তারপর তিনি তারাহাট স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এখানে তিনি অভাব অভিযোগ খতিয়ে দেখেন। এরপর সকলের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।
উল্লেখ্য, দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা নিয়ে পঞ্চায়েতে সভা করেন। এরপর উত্তর সাঁইথিয়ার দলীয় অফিসে দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজ নিয়ে দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

মেহবুব সাহেব বলেন, দিদিকে শতকোটি প্রণাম জানাই। দিদি আমাকে দূত হিসেবে মানুষের দুয়ারে পাঠিয়েছেন একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা দেখার জন্য। আমার সরকার সব করে দিতে পারবে না। যেগুলো পারবে সেগুলো মানুষ ঠিকঠাক পাচ্ছেন কীনা তা দেখাই হল কাজ।

উল্লেখ্য, একমাসে রাজ্যের এক হাজার পঞ্চায়েত পরিদর্শন হয়ে গেছে দিদির দূতদের। তৃণমূলের তরফে নেওয়া দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচি এখন সাফল্যের শীর্ষে। হুগলির জেলা সভাধিপতি সেখ আলহাজ্ব মেহবুব রহমান এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে সফল। ইতিমধ্যেই ১৮টি পঞ্চায়েতে দিদির দূত হিসেবে মানুষের দুয়ারে একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে খতিয়ে দেখলেন। জনমানসে উৎসাহ লক্ষ্য করা গেল।

মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূত হয়ে প্রত্যন্ত গ্ৰামের বাড়িতে মানুষের দুয়ারে উপস্থিত থাকলেন হুগলি জেলা সভাধিপতি সেখ আলহাজ্ব মেহবুব রহমান।

মেহবুব সাহেব বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দূত হিসেবে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে উপস্থিত হচ্ছি। মানুষের হিতার্থে দিদি একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজ চালু করেছেন। এর যথার্থ সুবিধা মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা দেখা হল আমার লক্ষ্য। এদিন সঙ্গে ছিলেন গোঘাট -২ ব্লক সভাপতি অরুণ কেওড়া, চঞ্চল রায়, মিতালী বাগ, সেখ ফরিদ ও উপপ্রধান সহ দলীয় নেতা কর্মীরা।
প্রসঙ্গত, ৬০ দিনের এই কর্মসূচি থাকলেও, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দেখে, তৃণমূল দিন সংখ্যা বাড়িয়েছে। উল্লেখ্য, জনসংযোগের এই পর্ব থেকেই পঞ্চায়েত ভোটে গ্ৰামে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্ক অটুট থাকছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।