দ্রুততার সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চায় রাজ্য সরকার। শান্তিশৃঙ্খল মনোরম পরিবেশে দিদির দূত হয়ে ১৯ বারের জন্য আলহাজ্ব সেখ মেহবুব রহমান মানুষের দুয়ারে উপস্থিত হলেন। এবার দিদির সুরক্ষা কবচ নিয়ে আলোচনা সভা সারলেন আরামবাগ ব্লকের গৌরহাটি পঞ্চায়েতে। জনমানসে উল্লেখযোগ্য সাড়াও মিলল। বুধবার গৌরহাটি পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্থানে জেলা সভাধিপতি আলহাজ্ব সেখ মেহবুব রহমান মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে মানুষের কথা শুনলেন। এদিন প্রথমে স্থানীয় রামকৃষ্ণ মিশনে যান। এখানে পুজো দিয়ে মহারাজের সঙ্গে দেখা করেন। মানুষের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। এরপর তিনি দুর্গাদাস বালিকা বিদ্যালয়ে যান। এখানকার অভাব অভিযোগের কথা শোনেন। তারপর দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেন।

প্রসঙ্গত, এদিন পঞ্চায়েতের প্রধান-উপপ্রধান, সদস্য ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা নিয়ে সংলাপ শুরু হয়। এরপর মেহেবুব সাহেব গৌরহাটি বাজারে জনসংযোগ সভা করেন। গ্রামবাসীদের আশ্বাস দিলেন সবসময় পাশে থাকার। এমন সৌজন্যে আপ্লুত গ্ৰামের মানুষ। নেতৃত্বের এমন ভূমিকায় গর্বিত এলাকার তৃণমূল নেতা, কর্মীরাও। উল্লেখ্য, আরামবাগ জুড়ে চলছে দিদির দূত কর্মসূচি।

দূতেরা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষের অভাব অভিযোগের কথা শুনছেন। অভিযোগ থাকলেই প্রশাসনিক আধিকারিকদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছেন। শেষে স্থানীয় দলীয় অফিসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সভা করেন মেহেবুব সাহেব। সভায় দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা মানুষ ঠিকঠাক পাচ্ছেন কীনা তা নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রসঙ্গত, দূত হিসেবে মানুষের কাছে পৌঁছে মেহবুব সাহেব নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। মেহবুব সাহেব বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূত হিসেবে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে উপস্থিত হচ্ছি। মানুষের হিতার্থে দিদি একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজ চালু করেছেন। এর যথার্থ সুবিধা মানুষ পাচ্ছেন কিনা তা দেখা হল আমার লক্ষ্য। আরো বলেন, আমার সঙ্গে মানুষ আছেন, দলীয় নেতা ও কর্মীরা আছেন।

উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নানা প্রকল্প ঘিরে মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। এদিন জেলা সভাধিপতি মেহেবুব সাহেবের সঙ্গে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শিশির সরকার, অঞ্চল সভাপতি যদু নাথ সিং, উপপ্রধান ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।