ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রায় দেড় হাজার পঞ্চায়েত পরিদর্শন হয়ে গেছে দিদির দূতদের। তৃণমূলের তরফে নেওয়া দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচি এখন সাফল্যের শীর্ষে। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনকে পাখির চোখ করে মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিদির দূতরা এখন প্রতিটি পঞ্চায়েতে উপস্থিত হচ্ছেন। রবিবার জেলা সভাধিপতি আলহাজ্ব সেখ মেহবুব রহমান একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা দেখতে হাজির হলেন খানাকুলের রামমোহন-২ পঞ্চায়েতে।

এদিন তিনি প্রথমে আটঘরা বিশালাক্ষ্মী মন্দিরে গিয়ে মানুষের জন্য পুজো দিয়ে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। তারপর মেহবুব সাহেব দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় কায়বা সমবায় সমিতি পরিদর্শন করেন। এখানে মানুষ পরিষেবা ঠিকঠাক পাচ্ছেন কীনা তা নিয়ে খোঁজ নেন। মানুষ যাতে আরও বেশি সুযোগ সুবিধা বেশি পান তা নিয়ে কতৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনাও করেন। তারপর মেহবুব সাহেব দলীয় নেতা-কর্মী ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেন।

উল্লেখ্য, জেলা সভাধিপতি ইতিমধ্যেই একুশটি পঞ্চায়েত পরিদর্শন করে ফেললেন এবং হাজার হাজার মানুষের অভাব অভিযোগের কথা শুনলেন। পাশে থেকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দিলেন। এদিনও তার ব্যতিক্রম ঘটলো না। মধ্যাহ্নভোজের পর বিকেলে পঞ্চায়েতে দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের পরিষেবা নিয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

তারপর পঞ্চায়েতের সাধারণ মানুষের কাছে রাজ্যের একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক পৌঁছেছে কী না তা মেহবুব সাহেব জানতে চান। প্রসঙ্গত, জনসংযোগ সভায় মানুষের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল নজরকাড়ার মতো। এরপর তিনি পঞ্চায়েতে দলীয় কর্মী সভায় যোগ দেন। সভায় মেহবুব সাহেব কর্মীদের কাছে আবেদন করেন সকল মানুষ যাতে দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক পান, তা দেখার জন্য।

উল্লেখ্য, এদিন দিদির দূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন খানাকুল-১ ব্লকের সভাপতি ইলিয়াস চৌধুরী, ব্লক সহ সভাপতি স্বপন হাজরা, পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সেখ সাদাতুল্লা হোসেন, অঞ্চল সভাপতি প্রশান্ত হাজরা , প্রধান টগরী দাস ও দলীয় নেতা কর্মীরা। উল্লেখ্য, এদিন সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মেহবুব সাহেব মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুললেন। দিদির দূত হিসেবে মানুষের সুবিধা – অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখার সঙ্গে সঙ্গে, তাঁদের সুরক্ষা ও দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক পাচ্ছেন কীনা তাও তিনি দেখলেন।

প্রসঙ্গত, ৬০ দিনের এই কর্মসূচি থাকলেও, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দেখে দিন সংখ্যা বাড়িয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। জনসংযোগের এই পর্ব থেকেই পঞ্চায়েত ভোটে গ্ৰামে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্ক অটুট থাকছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।