দিদির দূত হয়ে ষষ্ঠবারের জন্য আলহাজ্ব সেখ মেহবুব রহমান মানুষের দুয়ারে উপস্থিত হলেন। এবার দিদির সুরক্ষা কবজ নিয়ে আলোচনা সভা সারলেন খানাকুল-১ ব্লকের ঘোষপুর পঞ্চায়েতে। জনমানসে উল্লেখযোগ্য সাড়াও মিলল। সোমবার ঘোষপুর পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্থানে জেলা সভাধিপতি আলহাজ্ব সেখ মেহবুব রহমান মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে মানুষের কথা শুনলেন।

দুয়ারে উপস্থিত থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূত হিসেবে তাঁদের সুবিধা-অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখার সঙ্গে সঙ্গে, দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা মানুষ ঠিকঠাক পাচ্ছেন কীনা তাও তিনি খতিয়ে দেখলেন।

উল্লেখ্য, এই পঞ্চায়েতের কুলাট শিব মন্দিরে গিয়ে দলীয় নেতা ও কর্মীদের নিয়ে মানুষের জন্য আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। সেইসঙ্গে ঘোষপুর ইউনিয়ন নেতাজী বিদ্যাপীঠে জনসংযোগ সভা যেমন করেছেন এবং এই অঞ্চলে কর্মীসভা করতেও ভোলেননি। তাছাড়া এখানকার পিলখাঁ গ্ৰামে গিয়ে জনসংযোগ সভা করেন। দুপুরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মেহবুব সাহেব মধ্যাহ্নভোজ সারেন। এরপর মানুষ একগুচ্ছ সরকারি প্রকল্পের পরিষেবা ঠিকঠাক পাচ্ছেন কী না তা খতিয়ে দেখতে ঘোষপুর পঞ্চায়েতের প্রধান, গ্ৰাম সংসদ সদস্য ও কর্মীদের নিয়ে সভা করেন।

প্রসঙ্গত, দূত হিসেবে মানুষের কাছে পৌঁছে মেহবুব সাহেব নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। মেহবুব সাহেব বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূত হিসেবে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে উপস্থিত হচ্ছি। মানুষের হিতার্থে দিদি একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজ চালু করেছেন। এর যথার্থ সুবিধা মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা দেখা হল আমার লক্ষ্য। দিদির নির্দেশ মতো দূত হয়ে মানুষের দুয়ারে উপস্থিত হচ্ছি। তিনি আরো বলেন, আমার সঙ্গে সাধরন মানুষ আছেন, দলীয় নেতা ও কর্মীরা আছেন। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নানা প্রকল্প ঘিরে মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো।

প্রসঙ্গত, এদিন জেলা সভাধিপতি আলহাজ্ব সেখ মেহেবুব রহমানের সঙ্গে খানাকুল-১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ইলিয়াস চৌধুরী, ঘোষপুর পঞ্চায়েত প্রধান হায়দার আলী ও স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।