ইতিমধ্যেই রাজ্যে এক হাজারের বেশি পঞ্চায়েত পরিদর্শন হয়ে গেছে দিদির দূতদের। তৃণমূলের তরফে নেওয়া দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচি এখন সাফল্যের শীর্ষে। হুগলির জেলা সভাধিপতি সেখ আলহাজ্ব মেহবুব রহমান এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে একটার পর একটা পঞ্চায়েত পরিদর্শন করে উল্লেখযোগ্যভাবে সফল হলেন। ইতিমধ্যেই ১৬টি পঞ্চায়েতে দিদির দূত হিসেবে মানুষের দুয়ারে উপস্থিত থেকেছেন। প্রতিটিতে তিনি মানুষের সান্নিধ্যে এসেছেন। সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তাও খতিয়ে দেখেছেন। প্রতিটিতেই জনমানসে উৎসাহ ছিল লক্ষ্য করার মতো। এবার ১৭ বারের জন্য তিনি দিদির দূত হিসেবে সফল হলেন এবং নজিরও গড়লেন।

উল্লেখ্য, সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূত হয়ে মেহবুব সাহেব হুগলির আরামবাগ ব্লকের মলয়পুর-২ পঞ্চায়েতে মানুষের দুয়ারে উপস্থিত থাকলেন। গত ১১ জানুয়ারি থেকে পথচলা শুরু। যা আজও অব্যাহত। সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মানুষের সঙ্গে এদিন একাত্ম হয়ে সুখ ও দুঃখের কথা শুনলেন। সুরক্ষা কবচের ও দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক পাচ্ছেন কীনা তাও তিনি দেখলেন। এরপর তিনি কেশবপুর মহেন্দ্র ইনস্টিটিউটশনে যান। এখানে ছাত্রছাত্রীরা সবরকম সুবিধা পাচ্ছেন কীনা তাও তিনি খোঁজ নেন। এখানেই মানুষের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দিয়ে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি করলেন।

প্রসঙ্গত, জেলা সভাধিপতি সেখ আলহাজ্ব মেহবুব রহমান সোমবার শুরু করেছেন আরামবাগ-১ ব্লকের মলয়পুর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের মানুষের দুয়ারে গিয়ে। এখানে প্রথমে একটি শীতলা মন্দিরে পূজা দিয়ে মানুষের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। তাছাড়া সুবিধা অসুবিধার দিকগুলোও খতিয়ে দেখেন। তারপর দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সারেন। এরপর পঞ্চায়েতে গিয়ে জনসংযোগ সভা করেন।মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে সুবিধা-অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখেন। দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা নিয়ে মেহবুব সাহেব খোঁজ নেন। এছাড়া নেতাকর্মী ও গ্ৰাম সংসদ সদস্যদের নিয়ে আলোচনা সভাও সেরেছেন।

মেহবুব সাহেব বলেন, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দূত হিসেবে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে উপস্থিত হচ্ছি। মানুষের হিতার্থে দিদি একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজ চালু করেছেন। এর যথার্থ সুবিধা মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা দেখা হল আমার লক্ষ্য। এদিন সভাধিপতির সঙ্গে ছিলেন ছিলেন আরামবাগ ব্লক সভাপতি শিশির অধিকারী, অঞ্চল সভাপতি মীনাজ এবং তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণ চন্দ্র সঁতরা প্রমুখ। এছাড়া পঞ্চায়েত প্রধান সহ দলীয় নেতা কর্মীরা।

প্রসঙ্গত, ৬০ দিনের এই কর্মসূচি থাকলেও, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দেখে, তৃণমূলের এই কর্মসূচিতে দিন সংখ্যা বেড়েছে। উল্লেখ্য, জনসংযোগের এই পর্ব থেকেই পঞ্চায়েত ভোটে গ্ৰামে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্ক অটুট থাকছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।