দ্রুততার সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চায় রাজ্য সরকার। শান্তিশৃঙ্খল মনোরম পরিবেশে দিদির দূত হয়ে দশমবারের জন্য আলহাজ্ব সেখ মেহবুব রহমান মানুষের দুয়ারে উপস্থিত হলেন। এবার দিদির সুরক্ষা কবজ নিয়ে আলোচনা সভা সারলেন খানাকুল-১ ব্লকের পোল-১ পঞ্চায়েতে। জনমানসে উল্লেখযোগ্য সাড়াও মিলল। রবিবার ঘোষপুর পোল-১ পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্থানে জেলা সভাধিপতি আলহাজ্ব সেখ মেহবুব রহমান মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে মানুষের কথা শুনলেন।

এদিন প্রথমে স্থানীয় শ্যামসুন্দর জিউ মন্দিরে যান। এখানে পুজো দিয়ে মানুষের মঙ্গল কামনা করেন। এরপর তিনি পি সি সেন ইনস্টিটিউটে যান। জনসংযোগ সভা করেন। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূত হিসেবে মানুষের সুবিধা-অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখার সঙ্গে সঙ্গে, দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা মানুষ ঠিকঠাক পাচ্ছেন কীনা তাও তিনি দেখলেন। এখানে সকলের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।

উল্লেখ্য, এই পঞ্চায়েতের পোল হাটতলায় একটি উল্লেখযোগ্য জনসংযোগ সভা করেন। এই সভায় স্থানীয় দলীয় নেতা ও কর্মীরা যোগ দেন। মানুষের অভাব অভিযোগের কথা তিনি শুনলেন। তারপর মেহবুব সাহেব চকবাজার গিয়ে দলীয় অফিসে নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে মানুষ একগুচ্ছ সরকারি প্রকল্পের পরিষেবা ঠিকঠাক পাচ্ছেন কী না তা খতিয়ে দেখেন। প্রসঙ্গত, দূত হিসেবে মানুষের কাছে পৌঁছে মেহবুব সাহেব নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন।

মেহবুব সাহেব বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূত হিসেবে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে উপস্থিত হচ্ছি। মানুষের হিতার্থে দিদি একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজ চালু করেছেন। এর যথার্থ সুবিধা মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা দেখা হল আমার লক্ষ্য। দিদির নির্দেশ মতো দূত হয়ে সুরক্ষা কবজ নিয়ে মানুষের দুয়ারে উপস্থিত হচ্ছি। তিনি আরো বলেন, আমার সঙ্গে মানুষ আছেন, দলীয় নেতা ও কর্মীরা আছেন।

উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নানা প্রকল্প ঘিরে মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। এদিন জেলা সভাধিপতি মেহেবুব সাহেবের সঙ্গে খানাকুল-১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ইলিয়াস চৌধুরী, সভাপতি স্বপন হাজরা, পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সেখ সাদাতুল্লা হোসেন, জেলা কমিটির সদস্য মিন্টু পাল সহ দলীয় নেতা ও কর্মীরা ছিলেন ।