বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী , রাজা রামমোহন রায়ের উত্তরসূরী ও গান্ধীবাদী বরেণ্য জননেতা শান্তিমোহন রায়ের ১১০তম জন্মবার্ষিকী যথোচিত মর্যাদায় পালিত হল। শনিবার খানাকুলের কায়বা গ্রামে তাঁর আবক্ষ মূর্তির সম্মুখস্থ প্রাঙ্গণে দুপুর ২টোয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রভাতফেরি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও উদ্বোধনী সংগীত গেয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্ৰামী, গান্ধীবাদী নেতা ও সমাজসেবকের সশ্রদ্ধ চিত্তে জন্মদিন পালন করল শান্তিমোহন রায় স্মৃতিরক্ষা কমিটি। কেবল জন্মস্থান কায়বা গ্ৰাম নয়, হুগলির আরামবাগ কংগ্রেস ভবন, শেওড়াফুলি কংগ্রেস অফিস, রাজা রামমোহন রায় মহাবিদ্যালয় ও পাতুল গ্ৰামে এই মহান সংগ্ৰামীর প্রতি স্মৃতিচারণ করা হয়। প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁর অবদান আজও মানুষ ভোলেনি। মানুষ মনে রেখেছে খানাকুলে তাঁর হাত ধরেই রামমোহন কলেজ, বেসিক ট্রেনিং কলেজ, বালিকা বিদ্যালয় ইত্যাদি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, এদিন বিশিষ্টজনরা শান্তিমোহন রায়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, অগ্নিযুগের স্বাধীনতা আন্দোলনে খানাকুল থানায় যাঁদের অগ্রণী ভূমিকা ছিল তাঁদের মধ্যে এক বিরল ব্যক্তিত্ব।এদিন উপস্থিত ছিলেন স্মৃতিরক্ষা কমিটির সভাপতি ড.রণজিৎ কুমার গোস্বামী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সেখ হাসান ইমাম, অ্যাডভোকেট দিলীপ চ্যাটার্জি, ভূতপূর্ব অধ্যক্ষ ড. পরমার্থ ঘোষ, অধ্যাপক ড. শান্তিনাথ সরকার, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. তন্ময় সামন্ত, দেবাশিস পোড়েল, শিশির সরকার, পলাশ রায়, স্বপন নন্দী, দেবাশিস শেঠ , সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শিক্ষক নেতা মনসুর আলী, বিশিষ্ট শিক্ষক ব্রজগোপাল চক্রবর্তী, তাপস কুমার পোড়েল প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন স্মৃতিরক্ষা কমিটিরআহ্বায়ক শান্তিমোহন রায়ের একমাত্র পুত্র চন্দন কুমার রায়।