আমার দেশ, আমার ভোট, আমার অধিকার। এই দাবিতে শনিবার কলকাতার রাসবিহারী মোড়ে সরব হল তৃণমূলের দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ। গণমঞ্চের প্রতিনিধিরা এদিন প্রতিবাদ সভায় গর্জে ওঠেন। একটাই দাবি সব বৈধ নাগরিকদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। এছাড়া এই বাংলায় ঘুরপথে রাষ্ট্রপতি শাসন চালু করার ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করতে হবে। দেশবাঁচাও গণমঞ্চ এবং বাংলা একতা মঞ্চের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই পথসভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলার বহু বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা জানান, সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট নিয়ে টালবাহানা করে যে ভাবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করছে নির্বাচন কমিশন তার প্রতিবাদেই আজকের এই সভা।
সোমবার মধ্যরাতে প্রথম ‘বিচারাধীন’ তালিকা প্রকাশের পর থেকে শুধুই নিস্তব্ধতা। ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও ধোঁয়াশা। ভোটপর্ব চলাকালীন কমিশনের এহেন খামখেয়ালিপনায় হয়রান ভোটাররা। কিন্তু কার নির্দেশে এই নিস্তব্ধতা? কোনও নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে কি? অভিযোগ, ‘বিজেপি-কমিশন চক্রান্তেই ভোটারদের এমন চূড়ান্ত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।’

শুক্রবার আরও একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থাৎ এই পর্বে কত সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে, তা কমিশন নির্দিষ্ট কোনো কারণে জানাতে চাইছে না। আর সেই কারণকেই ‘চক্রান্ত’ হিসাবে ব্যাখ্যা করেছেন উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা। এছাড়া উপস্থিত বক্তারা ভোটাধিকার কেড়ে নির্বাচন কমিশনকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছেন। স্পষ্ট ভাষায় বক্তারা জানান, নির্বাচন কমিশন দ্বারা পশ্চিমবঙ্গে অঘোষিত রাষ্ট্রপতি শাসন জারির ষড়যন্ত্র মানছি না মানবো না। এদিনের প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন হরনাথ চক্রবর্তী’, রন্তিদেব সেনগুপ্ত, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, সুতপা বন্দ্যোপাধ্যায়, সুজাত ভদ্র, সৈকত মিত্র, সৈয়দ তানভীর নাসরিন-সহ বিশিষ্টজনেরা।