গত ১১ জানুয়ারি থেকে ‘সুরক্ষা কবচ’ নিয়ে দূত হিসেবে ইতিমধ্যেই ১৯ টি পঞ্চায়েতে গিয়ে জনসংযোগ ও সভা করে সফল হয়েছেন হুগলির জেলা সভাধিপতি আলহাজ্ব সেখ মেহেবুব রহমান। এবার তিনি বৃহস্পতিবার দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা দেখার জন্য হাজির হলেন আরামবাগ বিধানসভার হরিণখোলা-১ পঞ্চায়েতে। মানুষের সুবিধা অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। গ্রামবাসীদের আশ্বাস দিলেন সবসময় পাশে থাকার। উল্লেখ্য, আরামবাগ জুড়ে চলছে দিদির দূত কর্মসূচি। অভিযোগ থাকলেই প্রশাসনিক আধিকারিকদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের প্রশ্নবানের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। মেহবুব সাহেব তাঁদের সমস্যা সমাধানের আশারবাণীও শোনাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, এদিন মেহবুব সাহেব প্রথমে পঞ্চায়েতের বারোয়ারি কালীমন্দিরে গিয়ে পূজা দিয়ে সকল গ্রামবাসীর মঙ্গল কামনা করেন। এরপর স্থানীয় মধুরপুর উচ্চবিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। বিদ্যালয়ের অভাব অভিযোগের কথা শোনেন এবং তার সমাধানের আশ্বাস দেন। তারপর দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেন।

বিকেলে পঞ্চায়েতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা নিয়ে খোঁজ নেন জেলা সভাধিপতি। এরপর গ্রামবাসী ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে জনসংযোগ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রসঙ্গত, এদিন শেষে মেহবুব সাহেব দলীয় কর্মীসভায় যোগ দেন। দিদির সুরক্ষা কবজ নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্ৰহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

মেহেবুব সাহেব বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূত হিসেবে মানুষের দুয়ারে উপস্থিত হচ্ছি। মানুষের হিতার্থে দিদি একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজ চালু করেছেন। এর যথার্থ সুবিধা মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা দেখা হল আমার লক্ষ্য। সভাধিপতির সঙ্গে এদিন সুরক্ষা কবজ কর্মসূচিতে শামিল হয়েছিলেন আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিশির সরকার, অঞ্চল সভাপতি পার্থ হাজারি, প্রধান লাল্টু খাঁ, প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণ চন্দ্র সাঁতরা ও দলীয় নেতাকর্মীরা।