“শোভন-বৈশাখীর পর আবার নতুন জুটি। বঙ্গ রাজনীতিতে একি রঙ্গলীলা। Don’t Touch me . তাহলে এগুলো আবার কী? পুলিস ছুঁলেই দোষ, আর বান্ধবী ছুঁলেই দিলসুখ। এই ভাষায় পোস্টার ঘিরে পুরশুড়ায় উত্তেজনা দেখা দিল। শেষ পর্যন্ত উত্তেজনা প্রশমনে পুলিশকে পথে নামতে হল। তুলে ফেলল রাজ্যের বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর নামে এই কুরুচিপূর্ণ পোস্টার। খবরে প্রকাশ, পুরশুড়া এলাকার তকিপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন ও মসিনান এলাকায় রাজ্যের বিরোধী দলের বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারীর নামে বেশ কিছু কুরুচিপূর্ণ পোস্টার কে বা কারা বুধবার রাতে লাগিয়ে দিয়ে যায়। অবশ্য বাংলার জনগণের স্বার্থে প্রচারিত বলে পোস্টারে দাবি করা হয়েছে। একে ঘিরে বিরোধী বিজেপির দলের থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিস অবশ্য সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে সেই পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে। এদিকে এই পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। পুরশুড়া তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তপন সামুই জানান, বিজেপির রাজ্য থেকে জেলা ও ব্লকস্তরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে । আর তারই ফলস্বরূপ এখানে ওই পোস্টার। এরসঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। ওরা মিথ্যা অভিযোগ করছে।

পুরশুড়া ব্লকের তৃণমূলের যুব সভাপতি সুবিনয় ভৌমিক জানান, বিজেপি শান্ত পুরশুড়াকে অশান্ত করতে চাইছে। আসলে দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু অধিকারীর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। আরামবাগ কার দখলে থাকবে তা নিয়েই নিজেদের লড়াই। আর এজন্য রাতের অন্ধকারে ওদেরই একদল কর্মী এসে ওই সমস্ত পোস্টার মেরেছে। আর এখন আমাদের ঘাড়ে চাপাচ্ছে। এভাবেই এখানে হাইলাইট হবার চেষ্টা করছে। বাংলার জনগণ এটা বুঝে গেছে। আসলে এখানে বিজেপির অস্তিত্ব এখন তলানিতে। এদিকে বিজেপির দাবি, আরামবাগের সংসদ সদস্য অপরূপা পোদ্দারের ৭ জনের নিয়োগ দুর্নীতির সুপারিশ শুভেন্দু অধিকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্যুইট করলে, তারপরই পোস্টার লাগিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। অবিলম্বে দোষীদের গ্ৰেফতার করতে হবে।