দুর্ঘটনার পর চালকদের চিহ্নিত করতে লাইসেন্স আছে। কিন্তু কন্ডাক্টরদের চিহ্নিত করতে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারের ব্যবস্থা নেই। নড়েচড়ে বসল এ রাজ্যের পরিবহন দপ্তর। এবারই বেসরকারি বাস কন্ডাক্টরদের ‘ঠিকুজি- কোষ্ঠী’ তৈরি করছে রাজ্য। এই মুহূর্তে রাজ্যে দেড় লাখের বেশি লোক কন্ডাক্টরি পেশায় যুক্ত। কিন্তু অধিকাংশ কন্ডাক্টরের বৈধ লাইসেন্স নেই। পথ দুর্ঘটনার পর বাসের চালককে সহজে চিহ্নিত করা গেলেও কন্ডাক্টরকে ধরা কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ প্রশাসনের কাছে বেসরকারি বাস কন্ডাক্টরদের বিস্তারিত তথ্য নেই। সেই ফাঁকপূরণে উদ্যোগী হল পরিবহণ দপ্তর। সম্প্রতি এই সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন পরিবহণ সচিব সৌমিত্র মোহন। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকার প্রান্তিক শ্রেণির এই মানুষের কল্যাণে বেশকিছু উদারপন্থী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাতে ওই পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের আরও সহজে কন্ডাক্টরি লাইসেন্স পেতে সাহায্য করবে।

লাইসেন্স নিশ্চিত করতে আবেদনকারীকে ন্যূনতম চতুর্থ শ্রেণি পাশ হতে হবে। তার পাশাপাশি তিনি যে এলাকায় এই কাজ করবেন সেখানকার স্থানীয় প্রশাসকের কাছ থেকে একটি শংসাপত্রও আনতে হবে তাঁকে। কন্ডাক্টরদের লাইসেন্স বৈধ থাকবে দু’বছর। কিন্তু একাধিক বাস মালিকরা বহু ক্ষেত্রেই কন্ডাক্টরদের কাছে ক্লাস ফোর পাশের সার্টিফিকেট থাকে না। পাশাপাশি স্থানীয় কাউন্সিলার কিংবা পঞ্চায়েত প্রধান ওই ব্যক্তিকে রাজ্য সংক্রান্ত শংসাপত্র দিতে চান না। তাই বেশিরভাগ কন্ডাক্টর লাইসেন্স নেন না কিংবা রিনিউ করান না। এইচরম বাস্তবটি মেনে নিয়েই সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ করল পরিবহণ দপ্তর।