হুগলির চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী, চাঁপাডাঙার বিশ্বকর্মা, রানহাটের কোজাগরী লক্ষ্মী আর বাঁশবেড়িয়ার কার্তিক পুজোর সুনাম কেবল জেলাতেই নয়। এখন জেলা ছাড়িয়ে রাজ্যের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি চন্দননগরের আলোর রোশনাই ও বাঁশবেড়িয়ার বৃহৎ কার্তিকের রূপ দেখতে দেশ ও বিদেশের অনুগামীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। আর মাঝে কয়েকটা দিন বৃহৎ কার্তিকের রূপ ও মণ্ডপে সজ্জিত হচ্ছে বাঁশবেড়িয়া। উল্লেখের বিষয় হল এবারে এখানে পুজোর সংখ্যা বাড়ছে। এজন্য উদ্যোক্তা-প্রশাসনের প্রস্তুতি তুঙ্গে। মরশুমের শেষ উৎসব কার্তিক পুজো। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৯টি পুজো বাড়তে চলেছে।
ইতিমধ্যেই এখানকার পুজোর ব্যাস্ততা শুরু হয়ে গেছে। জ্যাংড়া কার্তিক, জামাই কার্তিক, দেব সেনাপতি কার্তিকের রূপ এখানে দেখা যাবে। ১৬ নভেম্বর কার্তিক পুজো হবে। তবে তার আগে থেকেই মণ্ডপগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যাবে বলে কমিটিগুলোর আশা। ২০ নভেম্বর উৎসবের আমেজে বাসিন্দাদের শোভাযাত্রা সহ নিরঞ্জন পর্ব মিটবে। তার আগে ১৪ নভেম্বর কার্তিক পুজোর গাইড ম্যাপ প্রকাশিত হবে। কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, পুজো নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপের রূপরেখা তৈরি।
কেন্দ্রীয় পুজো কমিটির সভাপতি তথা বাঁশবেড়িয়া পুরসভার চেয়ারম্যান আদিত্য নিয়োগী বলেন, গত বছর পর্যন্ত বশিবেড়িয়ায় স্বীকৃত পুজোর সংখ্যা ছিল ৭৬টি। এবার নতুন করে ১৯টি পুজো কমিটি অনুমোদন চেয়েছে। তাদের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।