মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূত হয়ে মানুষের দুয়ারে উপস্থিত থাকছেন হুগলি জেলা সভাধিপতি সেখ আলহাজ্ব মেহবুব রহমান। গত ১১ জানুয়ারি থেকে পথচলা শুরু। যা আজও অব্যাহত। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে যখন মানুষের দুয়ারে কর্মসূচি এপ্রিল মাসে চলবে, তখন দিদির সুরক্ষা কবজ নিয়ে দূতরাও থেমে থাকবে না। পঞ্চায়েত ভোটের আগে দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা দূতদের দেখাই হবে কাজ।

সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলে মেহবুব সাহেব সুবিধা অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখেন। দিদির দূত হিসেবে মানুষের সুবিধা-অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখার সঙ্গে সঙ্গে, তাঁদের সুরক্ষা ও দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক পাচ্ছেন কীনা তাও তিনি দেখলেন। এমনকি মানুষের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দিয়ে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি করলেন। পনেরো বারের জন্য দিদির দূত হিসেবে মূল উদ্দেশ্য সফল হল।

প্রসঙ্গত, জেলা সভাধিপতি সেখ আলহাজ্ব মেহবুব রহমান শনিবার শুরু করেছেন খানাকুল-১ ব্লকের ঠাকুররানিচক গ্ৰাম পঞ্চায়েতের মানুষের দুয়ারে গিয়ে। এখানে মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে সুবিধা-অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখেন। মেহবুব সাহেব গ্ৰামে গিয়ে প্রথমেই একটি মনসা মন্দিরে পূজা দিয়ে মানুষের মঙ্গল কামনা করেন। এরপর পূর্ব ঠাকুরানিচক রবীন্দ্র বিদ্যায়তনে গিয়ে সভা করেন। তারপর দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। এরপর পঞ্চায়েতে গিয়ে প্রধান, উপপ্রধান, গ্ৰাম সদস্য ও দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে সভা করেন। তারপর কাচরামোড় এলাকায় মেহবুব সাহেব জনসংযোগ সভা করেন। মানুষ একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক পাচ্ছেন কীনা তাও খোঁজ নেন। জনমানসে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

মেহবুব সাহেব বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দূত হিসেবে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে উপস্থিত হচ্ছি। মানুষের হিতার্থে দিদি একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজ চালু করেছেন। এর যথার্থ সুবিধা মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা দেখা হল আমার লক্ষ্য। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন নেতা মিন্টু পাল, ব্লক সভাপতি সেখ ইলিয়াস চৌধুরী, স্বপন হাজরা, প্রধান ও উপপ্রধান, পঞ্চায়েত সদস্যরা-সহ দলীয় নেতা কর্মীরা।