একদিকে ষষ্ঠ দফার দুয়ারে সরকার কর্মসূচির সূচনা। এবার প্রতি বুথে বুথে বুথভিত্তিক পরিষেবা প্রদান। অপরদিকে, দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা খোঁজ নিতে দূতদের প্রতিটি পঞ্চায়েতে পদার্পণ। অঙ্গীকার উন্নয়নের পথ বাংলার শপথ। উদ্দেশ্য দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা দেখা। ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রায় দেড় হাজারের বেশি পঞ্চায়েত পরিদর্শন হয়ে গেছে দিদির দূতদের। তৃণমূলের তরফে নেওয়া দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচি এখন সাফল্যের শীর্ষে।

আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনকে পাখির চোখ করে মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিদির দূতরা এখন প্রতিটি পঞ্চায়েতে উপস্থিত হচ্ছেন। শনিবার জেলা সভাধিপতি আলহাজ্ব সেখ মেহবুব রহমান একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবার খোঁজ নিতে হাজির হন পাণ্ডুয়া ব্লকের জায়েদ্বারবাসিনী পঞ্চায়েতে।প্রথমে তিনি এখানকার রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে গিয়ে মানুষের জন্য পুজো দেন এবং মঙ্গল কামনা করেন। এরপর তিনি জায়েদ্বারবাসিনী উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান। এখানে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। বিদ্যালয়ের অভাব অভিযোগের কথা শোনেন এবং তার সমস্যার সমাধানের জন্য আশ্বাস দেন।

এরপর স্থানীয় মানুষ ও দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেন। বিকেলে মেহবুব সাহেব পঞ্চায়েতের প্রধান — উপপ্রধান ও সদস্যদের নিয়ে একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা সংলাপের মাধ্যমে খোঁজ নেন। এরপর তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে জনসভা করেন। জনসভায় দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের সুবিধা সকলে ভোগ করছেন কী না তাই জানতে চান। এমনকি অভাব অভিযোগের কথা শুনে তার সমাধানের জন্য পাশে থাকার আশ্বাস দেন। সব শেষে মেহবুব সাহেব সন্ধ্যায় দলীয় কর্মীদের নিয়ে আলোচনাসভা করেন। মানুষের পাশে থেকে তাঁদের অভাব অভিযোগের কথা শুনতে হবে বলে মেহবুব সাহেব বলেন।

উল্লেখ্য, জেলা সভাধিপতি ইতিমধ্যেই তেইশশটি পঞ্চায়েত পরিদর্শন করে ফেললেন।এদিন দিদির দূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পাণ্ডুয়া ব্লকের সভাপতি সঞ্জয় ঘোষ, প্রধান — উপপ্রধান ও দলীয় নেতা কর্মীরা। এদিন সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মেহবুব সাহেব মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুললেন। দিদির দূত হিসেবে মানুষের সুবিধা-অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখলেন।

প্রসঙ্গত, ৬০ দিনের এই কর্মসূচি থাকলেও, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দেখে দিন সংখ্যা বাড়িয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। জনসংযোগের এই পর্ব থেকেই পঞ্চায়েত ভোটে গ্ৰামে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্ক অটুট থাকছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।