বড়দিনে পর্যটকদের জোয়ারে ভেসে গেল রাজ্যের সমুদ্র সৈকত সুন্দরী দীঘা। বড়দিনের সকাল থেকেই সৈকত সুন্দরী দিঘায় পর্যটকদের একের পর এক ঢেউয় ভিড় উপচে পড়ে। সময় যত গড়িয়েছে ততই বাসে,ট্রেনে রিজার্ভ বাসে আর ছোট গাড়িতে দীঘার সমুদ্র সৈকতে উপচে পড়েছে পর্যটকদের ঢেউ। ওল্ড দিঘা থেকে নিউ দিঘা, প্রতিটি জায়গাতেই উপচে পড়া ভিড়। একদিনের জন্য পিকনিক করতে আসা পর্যটকে ভরে উঠেছে দিঘা। ওল্ড দিঘা থেকে নিউ দিঘা, সব জায়গাতেই উপচে পড়া ভিড়। অন্যান্য বছরের বছরের তুলনায় এবছরে পর্যটকদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ দীঘার জগন্নাথ মন্দির।

দীঘায় এবারের বড়দিনে একদিনের পর্যটকদের ভিড়ই বেশি হওয়ার জন্য দীঘার হোটেলগুলিতে পঞ্চাশ শতাংশের বেশি রুম ফাঁকা রয়ে গেছে বলে দীঘা শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুশান্ত পাত্র জানিয়েছেন সুশান্তবাবু এও জানান,বড়দিনে না হলেও ইংরেজি নববর্ষ পর্যন্ত দীঘার হোটেলগুলিতে ভালো বুকিং রয়েছে।এবছরের বড়দিনে পর্যটকদের সমুদ্রের আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের আকর্ষণ। সুশান্ত বাবুর কথায় গত এপ্রিল মাসে দীঘায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন করার পর পর্যটকদের কাছে জগন্নাথ মন্দির এবারের বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে।

রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি জানান বৃহস্পতিবার দীঘায় লক্ষাধিক পর্যটক ভিড় জমিয়েছেন। শুধু দীঘা নয়, বড়দিনে তাজপুর, শংকরপুর ও মন্দারমনিতেও পর্যটকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। প্রতিটি সমুদ্র সৈকতই পর্যটকদের ভিড়ে উৎসবের রঙে রঙিন। দিনভর সমুদ্র স্নান পাশাপাশি পিকনিক করতে ঝাউবনে পর্যটকদের ভিড় ছিল লক্ষনীয়। পর্যটকদের কেনাকাটায় সৈকতের ভ্রাম্যমান বিক্রেতা থেকে দোকানদার ও ব্যবসায়ীদের মুখেও চওড়া হাসি।

বড়দিনে পর্যটকদের ভিড় সামলাতে তৎপর প্রশাসনও। দিঘায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সমুদ্র উপকূলে সতর্ক রয়েছেন নুলিয়ারাও। স্পিডবোটের মাধ্যমে সমুদ্রে নজরদারি চালান হয় সারাদিন ধরে। সমুদ্র স্নানের নেমে যাতে কেউ গভীর সমুদ্রে না যান তার জন্য মাইকিং করে পর্যটকদের বারবার সতর্ক করা হয়। বড়দিন উপলক্ষে দীঘার জগন্নাথ মন্দির থেকে সৈকত সুন্দরী দীঘার বিভিন্ন হোটেল, লজ রাস্তাঘাট আলোক মালায় সেজে উঠেছে।