ধর্ম যার যার সংহতি সবার — এই স্লোগানকে ভিত্তি করে রাজ্য জুড়ে পালিত হল সংহতি যাত্রা। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে উদয়নারায়ণপুরে সংহতি যাত্রায় মানুষের বাঁধভাঙা সমর্থনের ঢেউ ছিল চোখে পড়ার মতো। তৃণমূল কংগ্রেসের বিশিষ্ট নেতা সমীর পাঁজা বলেন, সোমবার জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সমগ্র উদয়নারায়ণপুরবাসী ঐক্যের বার্তায় সাড়া দিয়েছেন। এদিন প্রায় ১২ হাজার মানুষ বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের বার্তাকে সমর্থন জানিয়েছেন। মানুষ আজ আমাদের দেশের ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতি শ্রদ্ধা অর্পণ করেছেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার কলকাতার হাজরা মোড় থেকে এই সংহতি যাত্রার সূচনা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাট মন্দিরে এদিন পুজো দিতে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

এই যাত্রায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এদিন তৃণমূলের একাধিক নেতা ও মন্ত্রীদের দেখা যায় পা মেলাতে। হাজরা মোড় থেকে শুরু হয় সংহতি যাত্রার। একদিকে, যখন কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মায়ের পুজো দিচ্ছেন, তখনই হাজরা মোড় থেকে এই মিছিলের পুরোধা ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনেই সম্প্রীতির বার্তা দিতে কলকাতায় সংহতি মিছিলের ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মিছিলে রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক, কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন। যদিও এই মিছিলকে রাজনৈতিক মিছিল বলতে রাজি নয় তৃণমূল কংগ্রেস। মিছিলে এদিন হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, জৈন-সহ একাধিক ধর্মের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দিতেই এদিনের সংহতি যাত্রার আয়োজন করা হয় বলে জানানো হয় তৃণমূলের তরফে। এদিনের এই যাত্রা থেকে আওয়াজ ওঠে, ‘বিজেপি হটাও, দেশ বাঁচাও’।