দ্রুততার সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চায় রাজ্য সরকার। দিদির দূত হয়ে হাওড়া গ্ৰামীণ জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান ও উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক সমীর পাঁজা বৃহস্পতিবার কানপুর অঞ্চলে মানুষের কাছে পৌঁছে গেলেন। একটাই উদ্দেশ্য দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা দেখার।

প্রথমেই এদিন সমীরবাবু দক্ষিণ কানপুর এলাকার মা ভদ্রকালী, বিমলা কালী ও মনসা মন্দিরে পূজা দিয়ে সকল মানুষের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। এরপর তিনি মল্লিক পাড়া মাজারে সকলের মঙ্গল কামনার্থে চাদর চড়ান। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তারপর তিনি কানপুর শরৎ শিক্ষালয় ও কানপুর রায়কিশোরী শিশু বিকাশ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

এখানে সমীরবাবু শরৎ শিক্ষালয়ের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে জাতীয় সংগীত ও দেশাত্মবোধক গানে অংশগ্ৰহণ করেন। সেইসঙ্গে এখানকার প্রতিষ্ঠানের অভাব অভিযোগের কথা শোনেন এবং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

প্রসঙ্গত, দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের সুবিধা সকলে পাচ্ছেন কীনা তা নিয়ে কানপুর গ্ৰামপঞ্চায়েতের সকল নির্বাচিত সদস্য ও সদস্যা, কর্মী এবং নেতৃবৃন্দের কাছে খবর নেন। তাছাড়া উন্নয়ন সংক্রান্ত নানাবিধ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা নিয়ে আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য, এদিন সমীরবাবু দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেন। এরপর পুরাশ কমিউনিটি হলে দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে জনসংযোগ সভা করেন। সভায় দিদির সুরক্ষা কবচের পরিষেবা নিয়ে আলোচনা হয়। তারপর পুরাশ দলীয় কার্যালয়ে দিদির সুরক্ষা কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রতিটি মানুষ যাতে সুরক্ষা কবচ থেকে বঞ্চিত না হয় সেটাই দেখা হল মূল লক্ষ্য। এদিন রাতে দলীয় কর্মী সুশোভন শেঠের বাড়িতে নৈশভোজ ও রাত্রিবাসের পর একদিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটবে বলে জানা গেছে।