প্রত্যন্ত গ্রামের বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মূল্যবান সময় ভাগ করে উন্নয়ন নিয়ে কথা বললেন, দিদির দূত হয়ে এলাকার বিধায়ক সমীর পাঁজা। এখানেই থেমে থাকেননি সমীরবাবু। শনিবার সকালেই দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা, তা দেখার জন্য সুরক্ষা কবচ নিয়ে মানুষের দুয়ারে হাজির হলেন সমীরবাবু।

এদিন সমীরবাবু প্রথমেই হরিশপুর অঞ্চলের নজর খাঁ শিব মন্দিরে যান। এখানে সকলের মঙ্গল কামনার্থে পুজো দেন। এরপর হরিশপুর এলাকার বিভিন্ন জায়গায় জনসংযোগ করেন। মানুষের মুখোমুখি হন। সাধারণ মানুষের কাছে জানতে চান দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক পাচ্ছেন কীনা? সমস্যা সমাধানে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। তারপর পাররাধানগর ইন্দুমতি বিদ্যামন্দির শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এখানে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মূল্যবান সময় ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করেন।

প্রসঙ্গত, হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান সমীর বাবুকে পেয়ে গ্রামের মানুষ আপ্লুত। তারপর তিনি হরিশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে সকল নির্বাচিত সদস্য ও সদস্যা, কর্মী এবং নেতৃবৃন্দের সঙ্গে উন্নয়ন সংক্রান্ত নানাবিধ বিষয়ে বিশদে আলোচনা করেন ।

উল্লেখ্য, এদিন দলীয় কর্মী, স্থানীয় মানুষজনের সঙ্গে সমীরবাবু মধ্যাহ্নভোজনে যোগ দেন। বিকেলে হরিশপুরের উৎসব ভবনে দলীয় কর্মীদের নিয়ে দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা নিয়ে সমীরবাবু আলোচনা করেন। তারপর দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচীর পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, এদিন দলীয় কর্মীর বাড়িতে নৈশভোজ এবং রাত্রিবাসের মাধ্যমে এই অঞ্চলে একদিন কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটবে বলে জানা গেছে।