মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূত হয়ে মানুষের দুয়ারে উপস্থিত থাকছেন হুগলি জেলা সভাধিপতি সেখ আলহাজ্ব মেহবুব রহমান। গত ১১ জানুয়ারি থেকে পথচলা শুরু। যা আজও অব্যাহত। দ্বাদশবার সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুললেন। দিদির দূত হিসেবে মানুষের সুবিধা-অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখার সঙ্গে সঙ্গে, তাঁদের সুরক্ষা ও দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক পাচ্ছেন কীনা তাও তিনি দেখলেন। এমনকি মানুষের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দিয়ে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি করলেন। মূল উদ্দেশ্য সফল হল।

জেলা সভাধিপতি সেখ আলহাজ্ব মেহবুব রহমান বৃহস্পতিবার প্রথমেই শুরু করেছেন খানাকুল-১ ব্লকের তাঁতিশাল গ্ৰাম পঞ্চায়েতের মানুষের দুয়ারে গিয়ে। এখানে মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে সুবিধা-অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখেন। মেহবুব সাহেব গ্ৰামে গিয়ে প্রথমেই একটি মন্দিরে পূজা দিয়ে মানুষের মঙ্গল কামনা করেন। এরপর কনকপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে জনসংযোগ সভা করেন। তারপর তিনি এখানে একটি গ্ৰামীন লাইব্রেরিতে সুবিধা অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখেন।

এখানে পঞ্চায়েতে গিয়ে দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে সভা করতে ভোলেননি। দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা নিয়ে মেহবুব সাহেব খোঁজ নেন। এছাড়া গ্ৰাম সংসদ সদস্যদের নিয়ে আলোচনা সভা সেরেছেন। তিনি গ্ৰামের মানুষের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।

মেহবুব সাহেব বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দূত হিসেবে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে উপস্থিত হচ্ছি। মানুষের হিতার্থে দিদি একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজ চালু করেছেন। এর যথার্থ সুবিধা মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা দেখা হল আমার লক্ষ্য। দিদির নির্দেশ মতো দূত হয়ে মানুষের দুয়ারে উপস্থিত হয়েছি। এদিন সঙ্গে ছিলেন রাজ্য কমিটির সদস্য মিন্টু পাল, ব্লক সভাপতি সেখ ইলিয়াস চৌধুরী, পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সেখ সাদাতুল্লা হোসেন, অঞ্চল সভাপতি স্বপন হাজরা-সহ দলীয় নেতা কর্মীরা।