মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা দেখার জন্য দিদির দূত হয়ে সমীর পাঁজা হাজির হলেন বসন্তপুর অঞ্চলে। বুধবার দিদির সুরক্ষা কবচ নিয়ে মা মাটি মানুষের কাছে পৌঁছে পরিষেবা ঠিকঠাক পাচ্ছেন কীনা সাধারণ মানুষের কাছে তা খোঁজ নিলেন। এদিন হাওড়া গ্ৰামীণ জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান ও বিধায়ককে কাছে পেয়ে বাসিন্দারা তাঁদের অভাব অভিযোগের কথা শোনালেন। সমীরবাবু তা মনোযোগ সহকারে শুনলেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিলেন।

উল্লেখ্য, এদিন সমীরবাবু প্রথমে বসন্তপুর টকালপাড়া বাস্ত কালী মন্দিরে ও শেখ পাড়া মাজারে গিয়ে সকলের মঙ্গল কামনা এবং আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। এরপর তিনি জনসংযোগ করেন বসন্তপুর অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায়। একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা নিয়ে কথা বলেন। সমীর বাবুকে পেয়ে সাধারণ মানুষ আপ্লুত। নিজেদের সুখ সুবিধার ও অভাব অভিযোগের কথা শোনান।

প্রসঙ্গত, এদিন তিনি বসন্তপুর উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। উপস্থিত স্বাস্থ্যকর্মীদের সাথে এখানকার সুবিধা অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখেন। এরপর বসন্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সংলগ্ন এলাকায় মধ্যাহ্নভোজে দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে অংশ নেন।

তারপর পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান, গ্ৰামসদস্য ও দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে বৈঠক করেন। বৈঠকে এলাকার উন্নয়ন সংক্রান্ত নানাবিধ বিষয়ে বিশদে আলোচনা করা হয়। পরে আলতাড়া সোনার বাংলা ভবনে দলীয় কর্মীদের সাথে জনসংযোগ সভা করেন।

তাছাড়া এদিন সমীরবাবু বসন্তপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্য্যালয়ে উপস্থিত থেকে দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা নিয়ে কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। কীভাবে আরো বেশি বেশি করে মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া যায় দিদির সুরক্ষাকবচ কর্মসূচিতে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। উল্লেখ্য, এদিন নৈশভোজন ও রাত্রিযাপন ঠিক হয় দলীয় কর্মী হাসান সামিউল্লার বাড়িতে।