একমাসে রাজ্যের এক হাজার পঞ্চায়েত পরিদর্শন হয়ে গেছে দিদির দূতদের। তৃণমূলের তরফে নেওয়া দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি এখন সাফল্যের শীর্ষে। উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক ও হাওড়া গ্ৰামীণ জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান সমীর পাঁজা এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে সফল। ইতিমধ্যেই তিনি পঞ্চায়েতে দিদির দূত হিসেবে যোগ দিয়ে মানুষের দুয়ারে হাজির হয়েছেন। মঙ্গলবার দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে খতিয়ে দেখলেন। জনমানসে উৎসাহ লক্ষ্য করা গেল।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূত হয়ে মানুষের দুয়ারে সমীরবাবু উপস্থিত থাকলেন। এদিন তিনি কানুপাট-মনশুকা পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্থানে পরিদর্শন করেন এবং দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক মানুষ পাচ্ছেন কীনা তাও খোঁজ নিলেন। এমনকি মনশুকা প্রাইমারি স্কুলে গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে বসে সমীরবাবু মধ্যাহ্নে মিড ডে মিল খেলেন। মেনুতে ছিল ভাত-ডাল, পটল-আলু চিংড়ি ও চাটনি। এরপর তিনি ছাত্রছাত্রীদের হাতে পুষ্টিকর খাবার খেজুর ও অন্যান্য ফল তুলে দিলেন। উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক সন্ন্যাসী বোধক ও অন্যান্য শিক্ষকরা। উল্লেখ্য, সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সমীরবাবু মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুললেন। দিদির দূত হিসেবে মানুষের সুবিধা-অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখার সঙ্গে সঙ্গে, তাঁদের সুরক্ষা ও দিদির একগুচ্ছ প্রকল্পের কাজের পরিষেবা ঠিকঠাক পাচ্ছেন কীনা তাও তিনি দেখলেন।

প্রসঙ্গত, তিনি প্রাইমারি স্কুলে গিয়ে অভাব অভিযোগের কথা শুনলেন। তারপর পঞ্চায়েতে গিয়ে জনসংযোগ সভা করেন। মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে সুবিধা-অসুবিধার দিকগুলো খতিয়ে দেখেন। এছাড়া নেতাকর্মী ও গ্ৰাম সংসদ সদস্যদের নিয়ে আলোচনা সভা সেরেছেন। সঙ্গে ছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান ও দলীয় নেতা কর্মীরা।

প্রসঙ্গত, ৬০ দিনের এই কর্মসূচি থাকলেও, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দেখে দিন সংখ্যা বাড়িয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। জনসংযোগের এই পর্ব থেকেই পঞ্চায়েত ভোটে গ্ৰামে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্ক অটুট থাকছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।