রবিবার কলকাতার প্রেসক্লাবে দেশ বাঁচাও গণমঞ্চের প্রতিনিধিরা এস আইআরনিয়ে বাংলায় সন্ত্রাস চলছে বলে জানান। এর দাবিতে সোচ্চার হল গণমঞ্চ। এদিন পূর্ণেন্দু বসু বলেন, ভোট দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নিতে দেব না। আমরা কয়েকটি মৌলিক বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। গণমঞ্চের প্রতিনিধিরা এ রাজ্যে এস আই আরের নামে সন্ত্রাস চলছে বলে গর্জে ওঠেন।
তাছাড়া রাজ্যে এসআইআর ঘোষণার পর থেকেই টানা আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ দেশ বাঁচাও গণমঞ্চের। কেন্দ্রের সরকারের এসআইআর নিয়ে দুরভিসন্ধিকে তোপ সংগঠনের সদস্যদের। এসআইআর লাগু করে কেন্দ্রের বিজেপির সরকার যে আদতে এনআরসি লাগু করার পথে হাঁটছে, তা নিয়েই বিজেপি ও তাঁদের পরিচালিত নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগলেন তাঁরা। একদিকে বাংলার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক, অন্যদিকে ম্যাপিং করে উঁচু নিচু, ধর্মীয় শ্রেণিবিভাজনের মাধ্যমে আরএসএস- এর মনুবাদকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে, বলে দাবি গণমঞ্চের ।

প্রেসক্লাবে এদিন বৈঠক করে দেশ বাঁচাও গণমঞ্চের সদস্যরা প্রথমেই তুলে ধরেন অসমের পরিস্থিতি, যেখানে এনআরসি করার মাধ্যমে হিন্দু ভোটাদেরও দেশের নাগরিক তালিকার বাইরে করে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির নেতারা বাংলাদেশি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষকে অবৈধ নাগরিক চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া দাবি করলেও আদতে যে এসআইআর-এর মাধ্যমে হিন্দু নাগরিকদেরও বৈধ নাগরিক তালিকা থেকে বাইরে করার প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে, তার উদাহরণ হিসাবে অসমের পরিস্থিতির কথা তুলে ধরা হয়। প্রশ্ন তোলা হয়, বিজেপি যদি সত্যিই সিএএ (CAA) নিয়ে সিরিয়াস হয়, বাঙালি উদ্বাস্তুদের জন্য কিছু করতে চায়, তাহলে অসমের বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুদের জন্য সিএএ চালু করছে না কেন? এ প্রশ্নও প্রতিনিধিদের কণ্ঠে জোরদার শোনা যায়।