শুক্রবার গোটা বাংলার গন্তব্য কলকাতা। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই ভিড় বাড়ছে কলকাতার ক্যাম্পগুলিতে। কর্মী ও সমর্থকের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠবে তিলোত্তমা নগরী। তৃণমূল কংগ্রেসের শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করা হবে মূল লক্ষ্য। শহীদ দিবসের পাশাপাশি বাড়তি মাত্রা পেতে চলেছে পঞ্চায়েতে তৃণমূলের বিপুল সাফল্যের সৌজন্যে।
প্রসঙ্গত, জেলার নেতা-কর্মীদের বক্তব্য, এবারের জনাসমাগম বাংলার রাজনীতিতে একটি মাইলস্টোন হয়ে থাকবে। এদিন ইতিহাসের শরিক হতে অসংখ্য মানুষ উপস্থিত থাকবেন। উত্তরের জেলাগুলো থেকে বহু কর্মী-সমর্থক ইতিমধ্যে এসে গেছেন। গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম, আলীপুর উত্তীর্ণ অডিটোরিয়াম ছাড়াও শহরের বিভিন্ন স্থানে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার বঙ্গ রাজনীতির যাবতীয় ‘ফোকাস’ কেন্দ্রীভূত হবে ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সুবিশাল মঞ্চে। সেখান থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দেন, সেদিকে নজর থাকবে রাজ্যের পাশাপাশি গোটা দেশের রাজনৈতিক মহলের। কারণ সামনেই লোকসভা ভোট।
এদিকে শুক্রবার রাজ্য জুড়ে যানজটের আশঙ্কা থাকছে। কেবল তাই নয় জেলা থেকে বহু বাসও তুলে নেওয়ার খবর মিলেছে। তবে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। অন্যান্য জেলার সঙ্গে হুগলি জেলার নেতা-কর্মীদের সবুজ ঝড়ে শহীদ দিবসের মঞ্চ রাঙা হবে। আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল, পুরশুড়া ইত্যাদি জায়গা থেকে সকাল হলেই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্মথকরা কলকাতামুখী হবেন। এমনটাই সূত্রের খবর।