টালিগঞ্জ বিধানসভার ১১৩ নং ওয়ার্ডের বাঁশদ্রোনী কালীবাড়ি মোড়ে ২১ শে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের পথসভায় উপস্থিত ছিলেন ১১৩ নং ওয়ার্ডের পুরপ্রতিনিধি অনিতা কর মজুমদার, ওয়ার্ডের যুব সভাপতি রাজা মাহেশ্বরী, ১১৩ নং ওয়ার্ডের অবসারভার সুরজিৎ মিস্ত্রি, অলোক দত্ত, স্বপন আচার্য, কুট্টি সরখেল, অমর রায়, বিজয় তালুকদার, অরিত্র দন্ড এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা সভানেত্রী আরতি চক্রবর্তী, মমতা চক্রবর্তী সহ এলাকার অনান্য তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মীগণ।

২১শে জুলাইয়ের সমর্থনে তৃণমূল কংগ্রেসের এদিনের পথসভায় বক্তব্য রাখেন ১১৩ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি রাজা মাহেশ্বরী। এছাড়াও এদিন ২১শে জুলাইয়ের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন কলকাতা পুরনিগমের ১১৩ নং ওয়ার্ডের পুরপ্রতিনিধি অনিতা কর মজুমদার, ১১৩ নং ওয়ার্ডের অবসারভার সুরজিৎ মিস্ত্রি, অরিত্র দন্ড সহ অনান্য বিশিষ্ট নেতৃত্ববৃন্দ। এদিনের পথসভায় বক্তারা সবিস্তারে ব্যাখ্যা করেন ২১শে জুলাইয়ের তাৎপর্য পাশাপাশি তারা এলাকাবাসীর কাছে ওইদিন সকাল সকাল ধর্মতলায় ২১শে জুলাইয়ের জনসভায় যাওয়ার আবেদন করেন।

উল্লেখ্য ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের পুলিশের বন্দুকের নিশানায় শহীদ হন ১৩ জন কংগ্রেস কর্মী। ওইদিন তৎকালীন যুবকংগ্রেসের সভানেত্রী অধুনা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে মহাকরণ অভিযান সংগঠিত হয়েছিল আর সেই অভিযানেই কংগ্রেস কর্মীদের ওপরে নির্বিচারে গুলি চালায় তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের পুলিশ। উল্লেখ্য, তৎকালীন যুবকংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওইদিন প্রাণে বেঁচে গেলেও তাঁর ওপরেও চলে পুলিশের অকথ্য অমানুষিক অত্যাচার এবং গুরুতর আহত অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।

তারপর থেকেই ২১শে জুলাই ধর্মতলায় জনসভার মধ্যে দিয়ে শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে প্রদেশ কংগ্রেস কর্মীরাও শহীদ দিবস হিসাবে এইদিনটি পালন করেন।