উল্টো রথের দিন হাওড়ার উদয়নারায়নপুরের সিংটি বাজার এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের অভিনব উদ্যোগে সফল ভোট প্রচার দেখা গেল। এদিন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে হাওড়া জেলা পরিষদের প্রার্থী সুলেখা পাঁজা প্রায় আড়াই কুইন্টাল জিলিপি খাইয়ে মিষ্টিমুখ করালেন ভোটারদের। এ জিলিপিতে ছিল না কোনও প্যাঁচ। ছিল মধু-মিষ্টির সম্পর্ক। আর ছিল হৃদয়ের স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রকাশ। প্রচারে নেমে এমনই ভাবে ভোটারদের মন জয় করলেন হাওড়া জেলা পরিষদের প্রার্থী সুলেখা পাঁজা।

প্রসঙ্গত, উদয়নারায়ণপুর পঞ্চায়েত সমিতির বিদায়ী সভাপতি সুলেখা পাঁজা এবারে তিনি জেলা পরিষদের ৩৮ নম্বর আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই সুলেখা চুপ করে বসে নেই। সভা ও মিছিল থেকে শুরু করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগের মাধ্যমে প্রচার চালাচ্ছেন। আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন। আসন্ন ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই উল্টো রথের দিন তাঁকে অভিনব কায়দায় ভোটের প্রচার করতে দেখা গেল। এলাকার ব্যবসায়ী ও পথ চলতি মানুষদের সঙ্গে তিনি কথা বললেন ও মন জয় করলেন। এখানেই শেষ নয়। প্রার্থী সুলেখা পাঁজা ভোটারদের জিলিপি খাইয়ে মিষ্টিমুখ করানোর পাশাপাশি পরিবেশ বাঁচাতে ভোটারদের হাতে চারাগাছ তুলে দেন। উল্লেখ্য, এদিন ২২৫ কিলো জিলিপি এবং ২০৩০ টি চারাগাছের আয়োজন করা হয়।

প্রসঙ্গত, এখানে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কাউকে দরকার ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। সেই পরিকল্পনা মতো হাওড়া জেলা পরিষদের ৩৮ নম্বর আসনে মনোনীত হন সুলেখা পাঁজা।

এদিকে নির্বাচনে বিভিন্ন কর্মসূচীর ফাঁকে হঠাৎই প্রচারের মাঝে প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত হন হাওড়া জেলার গ্ৰামীন তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় বিধায়ক সমীর পাঁজা। তিনিও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভোটারদের জিলিপি খাইয়ে মিষ্টিমুখ করান।

এদিকে নির্বাচনে বিভিন্ন কর্মসূচীর ফাঁকে হঠাৎই প্রচারের মাঝে প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত হন হাওড়া জেলার গ্ৰামীন তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় বিধায়ক সমীর পাঁজা। তিনিও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভোটারদের জিলিপি খাইয়ে মিষ্টিমুখ করান ।উল্টো রথের বিশেষ দিনে প্রত্যেকের হাতে চারাগাছ তুলে দিয়ে সবুজের বার্তা দেন। এদিন বিধায়ক সমীর পাঁজার সুরে সুর মিলিয়ে সমর্থকদের বলতে শোনা যায় জিলিপির প্যাঁচ নয়, মিষ্টি হোক সকলের সম্পর্ক। উল্টো রথের শুভ দিনে ভোট প্রচারে এসে সমীর বাবু ও প্রার্থী সুলেখা পাঁজা মানুষের হৃদয় দুয়ারে পৌঁছে গেলেন।