রামকৃষ্ণ দেবের পুণ্যভূমি কামারপুকুর মঠ ও মিশনে যথোচিত মর্যাদায় পালিত হল স্বামী বিবেকানন্দের ১৬১ তম জন্ম বার্ষিকী। শুক্রবার মঠ ও মিশনে প্রভাতফেরি, স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তিতে ফুলমালা দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেই সঙ্গে যুব চেতনা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এদিকে স্বামী বিবেকানন্দের ১৬১তম জন্ম বার্ষিকী পালন করা হয় খানাকুলের বিভিন্ন প্রান্তে। ঘাঘুয়া বিবেকানন্দ যুব সংঘের মাঠে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে স্বামীজির মূর্তিতে মাল্যদান করেন বিশিষ্ট সমাজসেবী অভিজিৎ বাগ ও সেখ হায়দার আলী।

তাছাড়া আরামবাগের বিভিন্ন স্থানে স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম দিবস উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানাতে পথসভা, বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও যুব দিবস অনুষ্ঠিত হয়। আরামবাগ শহরে আয়োজন করা চেতনা উৎসবের পথসভা।

এছাড়া আরামবাগ শহরের বিবেকানন্দ মোড়ে বিবেকানন্দের মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন স্বপন কুমার নন্দী ও কৃষ্ণচন্দ্র সাঁতরা।

প্রসঙ্গত, কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের তরফে এদিন সাড়ম্বরে জাতীয় যুব দিবস পালিত হল। শুক্রবার সকালে কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মিশন বহুমুখী বিদ্যালয় থেকে শোভাযাত্রা বের হয়। মঠের সন্ন্যাসী, মহারাজ, ছাত্র ও ভক্তরা শোভাযাত্রায় শামিল হন। শোভাযাত্রাটি কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ হয়ে কামারপুকুর চটিতে যায়। সেখানে স্বামী বিবেকানন্দের পূর্ণাঙ্গ মুর্তিতে মাল্যদান ও সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ঠাকুর রামকৃষ্ণ, মা সারদা ও বিবেকান্দের মূর্তিতে পুষ্প দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা বৈদিক ও স্বদেশ মন্ত্র পাঠ করেন এবং জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়। কামারপুকুর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী লোকোত্তরানন্দজি মহারাজ বলেন, স্বামীজির জন্মদিনকে ভারত সরকার ইতিমধ্যেই জাতীয় যুব দিবস ঘোষণা করেছে। দিনটি যথোচিত মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।