| | |
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৩১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস — ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই : নিকোলাস বিশ্বাস নিকোলাসের ছবি বাস্তবকে তুলে ধরে কবিতার মতো : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৩০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বঙ্গবাণী-র রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ই জীবনানন্দের আবিষ্কর্তা : অসিত দাস দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ : দিলীপ মজুমদার প্রতিদিনের রবীন্দ্রনাথ : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ অথ তসলিমা কথা…. : অশোক মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বেগম রোকেয়ার সমাধি আবিষ্কার যেন প্রেমেন্দ্র মিত্র-র তেলেনাপোতা আবিষ্কার : অসিত দাস মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক সরকার রোহিঙ্গা সংকটে কোন নির্দেশনা নেই : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ দ্বিখণ্ডিত নির্বাসন : অশোক মজুমদার শ্যামাপ্রসাদের সঙ্গে আর্থার কোনান ডয়্যালের সাক্ষাৎকার ও প্ল্যানচেট-আলোচনা : অসিত দাস শ্রাবণের ঝিরঝিরে হাওয়ায় কাঁচের চুড়ির রিমিঝিম : রিঙ্কি সামন্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ রাখি বন্ধন ও রবীন্দ্রনাথ : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কলকাতা ফিরিয়ে দিক তসলিমার দ্বিখন্ডিত বাসার একখণ্ড : অশোক মজুমদার তরুণের বিদ্রোহ : তখন এবং এখন : দিলীপ মজুমদার বিশ্বজিৎ মণ্ডল-এর ছোটগল্প ‘বনলতা সেন ও অভিমানের অন্ধকার’ শিক্ষা ও সমাজ-সংস্কারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ তসলিমা নাসরিন — সবিনয় নিবেদন : দিলীপ মজুমদার গুরুপূর্ণিমার ‘শতকোটি প্রণাম’-এর ব্যাখ্যা ও ব্যুৎপত্তি (দ্বিতীয় পর্ব) : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

আমাদের এটিসি (এগ্রিকালচার ট্রেনিং সেন্টার) ফুলিয়া : লিখছেন অনুপম পাল

Reporter
অনুপম পাল / ১৩৩৩ জন পড়েছেন
আপডেট শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০

গোড়ার কথা: আমি তখন দক্ষিন ২৪ পরগণার ফলতা ব্লকে কর্মরত। ১৯৯৭ কি ১৯৯৯ সাল হবে কলকাতার সার্ভিস সেন্টার সংস্থার তাপস মন্ডল আমাকে বললেন ওঁরা কিছু জায়গায় জৈব সবজি চাষ শুরু করেছেন। আমাকে কৃষকদের মিটিং কিছু বলতে হবে। খুব তাচ্ছিল্লের হাসি হেঁসেছিলাম। দূর ওসব আর হয় নাকি। যতসব ফালতু ব্যাপার। তারপর সেই সেখানো ফলন কমের যুক্তি, তোতাপাখির মত আউড়েছিলাম। উনি বিনয়ের সঙ্গে জানতে চাইলেন “আপনি কি নিজে করে দেখেছেন না আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখেছেন”। যাই হোক উনি বলেছিলেন কলকাতায় ওঁদের সেন্টারের লাইব্রেরিতে এই সব নিয়ে বেশ কিছু বই পত্র আছে। পড়ে দেখতে অনুরোধ করেছিলেন। ওঁদের দেওয়া পুস্তিকা গুলো পড়তে শুরু করলাম। সার্ভিস সেন্টার লাইব্রেরির বইপত্র দেখে আমি অবাক। এসব আগে কখনও পড়িনি। এইসব যুক্তির কথাতো কেউ বলেনি। উৎস মানুষ পত্রিকায় রতন লাল ব্রহ্মচারীর লেখা দেশী ধানের একটা লেখা পড়ি, পরে ড. দেবল দেবের লেখাও। ২০০০ সালে দেবল দেবের ‘লুঠ হয়ে যায় স্বদেশভূমি’র খোঁজ দিলেন ডায়মন্ডহারবারের রাজ্য বীজ নিগমের চেয়ারম্যান অরুপ রতন মুখোপাধ্যায়। একি ব্যপার। যা পড়লাম এতদিনে তার সঙ্গে কিছুতেই মেলাতে পারছি না। বিভাগের কয়েক জনকে কিনেও দিয়েছিলাম। প্রশ্ন উত্থাপন করলে কেউ ব্যপারটাকে আমল দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেন নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনার সময় আমি বরাবরই উদাশীন ছিলাম। কিন্তু ওই বইটা আমার মাথা ঘুরিয়ে দিল। ওই বছরই ব্যারাকপুরে ওনার বাড়িতে গেলাম। এক রকম তর্ক করতেই। উনি বললেন আমি বৈজ্ঞানিক রেফারেন্সিং, ইকোলজি ও ইকোলজিকাল ইকোনমিক্স ব্যাপারটা বুঝি কিনা। আমতা আমতা করে বলেছিলাম লোকসংখ্যা বাড়ছে, ম্যালথাস থিওরি, দুভির্ক্ষ, আমাদের দপ্তর এই বলেছে, সেই বলছে। চাষের পুস্তিকায় এই বলা আছে এই সব আর কি। আমার যুক্তি সব ছেঁদো হয়ে গেল ওঁর শানিত যুক্তির কাছে। উনি ১৯৯৭ সাল থেকেই দেশী ধান নিয়ে বাঁকুড়ায় কাজ শুরু করেছেন। মানুষটি হলেন অসম্ভব মেধা ও পান্ডিত্যের এক নিবীড় মেলবন্ধন। আস্তে আস্তে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠল। ভারতের বিভিন্ন জন গোষ্ঠির জীবনযাত্রা, ফসল উৎপাদন ব্যবস্থা, জিন শস্য, করপোরেট বিজ্ঞান ব্যবসা, বিজ্ঞানের নামে সার, বিষ বীজ ও জিন শস্যের ব্যবসা, খাদ্য রাজনীতি, পরিবেশ, সমাজ ও অর্থনীতির সংযোগ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আমার চোখ উনি আবার নতুন করে খুলে দিলেন। ওই সব বিষয়ে আমার হাতেখড়ি ওঁর হাতেই।

রতন লাল ব্রহ্মচারী

প্রসঙ্গত ফলতায় তখন আমি জল বিভাজিকা প্রকল্পে মহিলাদের স্বনির্ভর দল তৈরীতে খুব উৎসাহ পেয়েছিলাম। সেই সময় গোষ্ঠি তৈরী মূলত এনজিও-দের সাহায্যেই হত। ফলতা ব্লকেই সরকারি ভাবে আমার উদ্যোগ রাজ্যের প্রথম স্বনির্ভর দল তৈরী হয়। সেটা ছিল ১৯৯৭ সাল। মহিলাদের দল অনেকগুলো গড়তে পেরে এক পরিতৃপ্তি লাভ করি। সেটা দেখার জন্য ত্রিপুরার এক প্রতিনিধি দল এসেছিলেন ১৯৯৯ সালে।

ফুলিয়ায় যোগদান :  ২০০০ সালে ফুলিয়ার কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বদলি হলাম। অবাক হয়ে গেলাম এই রকম একটা অফিস থাকতে পারে। কোন ট্রেনিং হচ্ছে না, মাঠেও ফসল নেই। ১৯৫২ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হয়েছিল। এক্সটেনসেন ট্রেনিং সেন্টার থেকে গ্রাম সেবক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। পরে কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নাম হয়। ২১ একর জমি। ১৫ একর জমি কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আর ৫ একর জমি কুবোতা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। এছাড়া খেলার মাঠ ধরলে আরো ৪ একর হবে। কুবোতা পাওয়ার টিলার মেরামতি প্রশিক্ষণের জন্য রাজ্যের প্রথম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। সেই প্রশিক্ষন এখন নরেন্দ্রপুরে হয়। এখন শোচনীয় অবস্থা। কত দামী যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে। গোপালন, পোল্ট্রি, মৌমাছি পালন, কৃষির মহিলাদের ট্রেনিং সব কিছুরই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ছিল। গরু ছাড়া কিছুই আর নেই। কর্তপক্ষ মনে করেননি তাই হয়ত।

চাকদহের বাসিন্দা বিজন রায়, এগ্রোনমিস্ট তখন অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন। অধ্যক্ষের অনুপস্থিতি বা পোস্টিং না হওয়ার জন্য মাঝে মধ্যেই তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকতেন। প্রানবন্ত, দিলদার মানুষ ছিলেন। আমাকে সাদরে গ্রহন করে নিলেন, সেন্টারের দুরাবস্থার কথাও বললেন। বাকি আধিকারিকদের সঙ্গে পরিচয় হল। উনি অনেকদিন কংসাবতী প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন। ফুলিয়াই ছিল বাড়ির কাছে পোস্টিং। বিস্ময় প্রকাশ করে উনি বললেন এখানে আমার মত ‘ডাইনামিক ছেলের’ কেন পোস্টিং হল। এটাতো এক ধরনের ‘পুর্নবাসন কেন্দ্র’। আরো অনেকেই ওই কথাই বলেছিলেন। ফুলিয়ার এক ভদ্রলোকও আমার এক আত্মীয়কে বলেছিলেন আমার ওখানে পোস্টিং কেন, ‘সুস্থ’ লোক তো ওখানে নেই ইত্যাদি।

অনুপম পালের হাতের জাদুতে বদলে যাচ্ছে মাটির চরিত্র

যাই হোক প্রথমে কিছুটা হতাশ হয়েছিলাম। দেখলাম এখানে ভালো লাইব্রেরী আছে, একটা ছোট খামারও আছে। এখানে জৈব কৃষির কাজটা হাতে কলমে দেখে নেওয়া যেতে পারে। আমার জৈব কৃষির যাত্রা শুরু হল ২০০১ সাল থেকে। পাঁচটি দেশী ধান সেই সঙ্গে খামারের স্টকের রাসায়নিক সার দিয়ে লালস্বর্ণ ধানের চাষ। ২০০২ থেকে সম্পূর্ণ রাসায়নিক সার বর্জন করে চাষ শুরু হল। ড. দেবের বাঁকুড়ার ব্রীহি থেকে ২২টা জাত নিয়ে চাষ শুরু হল ২ বিঘা জমিতে। শুরু হল প্রচুর সমালোচনা, কটাক্ষ। সেই সময়কার অধ্যক্ষ বলতেন—”কুছু কাজ কোরবার দরকার নাই”। আমরা কিছু করি সেটাই বোধ হয় অনেকেই চাইতেন না। যেখানে কিছু হয় না সেখানে কাজ করাটাই অপরাধ মনে হল। ওই বছর ৬ মাসের কে পি এস প্রশিক্ষন ও চালু হল। কেরালা সুন্দরীর ফলন দেখে অভিভুত হয়ে যাই। ক্রপ কাটিং এ উপস্থিত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের চিঠি পাঠিয়ে অনুরোধ করা হয়েছিল পরপর ২ বছর। তাঁদের এখানে আসার সময় হয় নি। এটিসি ফুলিয়ার বাইরের লোকেদের তখন মনে হয়েছিল বা মনে করতেন ‘ওরা আবার কি কাজ করবে’।

ধান সংগ্রহ: আস্তে ধানের সংখ্যা বেড়ে ৪৫টা তারপর ধান সংগ্রহ করাটাই একটা নেশার মত হয়ে গেল। তখন দেশী ধানের বীজ বিক্রি করা অসম্ভব ছিল। এখন অনেকটাই সহজ। তবে একবার যারা দেশী ধান বীজ নেবেন তার জীবদ্দশায় আর ধান নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।গড়ে প্রতি বছর ৮০টির মত জাত ১০০ বেশী কৃষক নিচ্ছেন। কারুর ৪টি পছন্দের জাত, কারুর ৩০টি। ভারতের কোন কেন্দ্র থেকেই এত রকমের ধানের বীজ কৃষকের কাছে যায় না। কৃষকদের থেকেও কিছু জাত পাই।

দেবল দেব ছাড়া গোটা ভারতে যারা দেশী ধান নিয়ে কাজ করেন তাঁদের সঙ্গে আলাপ হল, বিভিন্ন আলোচনা শোনার সুযোগ এল। ২০০৪ সালে দেবল দেব প্রথম দেরাদুনে বন্দনা শিবার জৈব খামারে যাওয়ার সুযোগ করে দিলেন ওখানে এক আলোচনা সভা ছিল। বহু কৃষকের সঙ্গে আলাপ হল। বিভিন্ন বীজের আদান প্রদান হল। সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হল। লিভিং ফার্মসের সৌজন্যে ২০০৬-০৭ থেকে ওড়িষ্যার ধান দেখা ও আলোচনার সুযোগ পাই। ২০০৮ সালে ওড়িষ্যার নয়াগ্রাম জেলার রহিবাঙ্কের সম্ভব’র শ্রীমতি সবরমতির সঙ্গে আলাপ হল। উনি তখন ৩০০ ধরনের জাত সংরক্ষন করছিলেন। ওনার থেকেই প্রচুর ধান পেয়েছিলাম। তালমুলি, মেঘাডম্বুর, বিখ্যাত কালভাত, মল্লিফুলো, মাছকন্টা, খাড়া ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য ধান। এখানকার কিছু ধানও দিয়েছিলাম। এর মধ্যে আমাদের রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার স্বরুপনগর ব্লকের বাজিতপুর গ্রামের কৃষক শ্রীনারায়ন চন্দ্র বাছাড়ের নির্বাচিত ১-১.৫ ফুট জল সহ্যকারী সরু চাল নারায়ন কামিনী ধানের বীজও দিয়েছিলাম। সেই ধানের এলাকা অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলাঙ্গনায় বিগত কয়েক বছর ধরে বেড়েছে। ২০১৯ সালে ৩০০ বিঘার বেশী জমিতে চাষ হয়েছিল। হায়দ্রাবাদের শ্রী সুরেন্দ্রজী ও শিবপ্রসাদজী’ র সৌজন্যে ওই সম্প্রসারনের কাজটি সম্ভব হয়। কাজ করতে করতে আলাপ হল রিচারিয়া ক্যাম্পেনের শ্রী জেকব নাল্লিথানাম, ঝাড়খন্ডের শ্রী সৌমিক ব্যানার্জ্জী, কেরালার সেভ আওয়ার রাইস ক্যাম্পেন, কর্নাটকের সহজা সমৃধা,পদুচেরীর শ্রীমতি দীপিকা কুন্ডাজি, মধ্য প্রদেশের শ্রী বাবু লাল দাইহা, বেনারসের জয় প্রকাশ সিং, ছত্রিশগড়ের নাকছেড়া রাম, বর্ধমানের মৎস আধিকারিক শ্রী অভ্র চক্রবর্তী, জোগেশগঞ্জের বিষ্নুপদ মৃধা সহ বহু দেশজ ধানের কৃষক ইত্যাদি। ধান সংরক্ষণ করতে এসে জানতে পারলাম ড. আর এইচ রিচারিয়ার কথা। এত বড় মাপের ধান গবেষককে কি ভাবে হেনস্থা করা হয়েছিল। তিনি কটকের কেন্দ্রীয় ধান গবেষনা কেন্দ্রের অধিকর্তা ছিলেন (১৯৫৯-১৯৬৬)।

দীর্ঘ ১৭ বছরে একার চেষ্টায় বিভিন্ন রাজ্য ও এই রাজ্যের অনেক কৃষকের থেকে ধানের সংগ্রহের পরিমান ৪০০’র বেশী। এর মধ্যে ৪ জন রাজ্যের কৃষি আধিকারিক মারফৎ পাওয়া ধানের সংখ্যা ১০টা। দেশের ১৪টি রাজ্যের ধান এখানে  আছে। উল্লেখ্য বহু ধানেরই অভিযোজন ক্ষমতা অনেক বেশী।

ঈর্ষা ও পরশ্রী কাতরতা: কে যেন বলেছিলেন মানুষ তুমি অন্য কিছু করতে চাইলেই প্রথমে তোমাকে নিয়ে হাসবে, ঠাট্টা করবে পরে মানবে। তৎকালীন অস্থায়ী অধ্যক্ষ শ্রী বিজন কুমার রায় ধান সংরক্ষনের কাজের জন্য সদাই উৎসাহ দিতেন। বলেছিলেন সমালোচনা থাকবে তার মধ্যেই কাজ করতে হবে, আর নিজের কাজ নিজেকেই করতে হবে। ইতিমধ্যে ঈর্ষা ও পরশ্রীকাতরতা ইত্যাদি শব্দের সঙ্গে প্রত্যক্ষ পরিচয় হল। সেই সব তিক্ততার কথা বিস্তারিত ভাবে এখানে লেখা উচিৎ মনে করছি না। আনন্দবাজার পত্রিকায় মাটির মানুষ কলামে আমার ছবি সহ ধান সংরক্ষনের খবর প্রকাশিত হওয়ার দিন (সম্ভবত ২০০৮) অফিসে এসে দেখলাম পিয়ার গ্রুপের সবার মুখ থমথমে, মুখ কালো। প্রায় কথা বন্ধ। কেউ খুশি হয়নি। ২ এক জন ব্যতিক্রমী মানুষ অবশ্য ছিলেন। আমি নিজেও কোন কথা উত্থাপন করিনি। এর পর থেকে আমাকে কটাক্ষ করার জন্য ‘মাটির মানুষ’ কিংবা ‘জৈব মৌলবাদী’ শব্দ বন্ধটি সবার মুখে চলতে ফিরতে লাগল। প্রথমে খুব কষ্ট হত। এখন বেশ কৌতুক অনুভব করি। যাক! তাহলে আমি স্বতন্ত্র কিছু করতে পেরেছি। কাজ খুঁজে নিয়ে কাজ করেছি, অনধিকার চর্চা করিনি। তবে কিছু উর্ধতন কর্তৃপক্ষ এই কাজটাকে উৎসাহিত করতেন। তাঁদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তাঁরা কাজটা বন্ধ করে দেন নি। এতদিন তাঁরা বদলিও করে দেন নি। ইতিমধ্যে আস্তে আস্তে ফুলিয়ার লোকজনের ‘পাগলের অফিস, হনুমান তাড়ানো’ অফিস ইত্যাদি মন্তব্য করার দিন শেষ হতে শুরু করল। এখন সাবেকি ধারনার আমুল পরিবর্তন ঘটেছে। তাও আমাদের কার্যালয়টি যেন আবার ‘ওরা থাকে ওধারের থেকে এধারে আসতে পারছে না’। সেটা ভবিষৎই বলবে।

দপ্তরের দেওয়া স্বীকৃতি: ২০০২ সালে ভারত সরকার জৈব বৈচিত্র আইন প্রনয়ন করেন। সেই আইনের বলে তদানন্তীন কৃষি অধিকর্তা ও পদাধিকার বলে সচিব ড.ধবলেশ্বর কোনার মহাশয় এই খামারটিকে জৈব বৈচিত্র খামার বলে ঘোষনা করেন। জৈব বৈচিত্র আইন,(২০০২) ধারা অনুযায়ী অন্য নিয়মকানুন ছাড়া খামারে কোন প্রকার রাসায়নিক সার ও বিষ প্রয়োগ করা যাবেনা। সুতরাং খামারের কাজটা আরো সহজ হয়ে গেল। এই জৈব বৈচিত্র আইনটা নিয়ে অনেকবারই বলবার চেষ্টা করেছি দপ্তরের বহু আলোচনায়। তবে দৃষ্টি আকর্ষন করতে ব্যর্থ হয়েছি।

আমার প্রাপ্তি: আমার শুভাকাঙ্খীরা জৈব কৃষি নিয়ে বই লিখতে বললেন। ৪ বছরের চেষ্টায় ২০০৭ সালের বই মেলায় প্রথম বই ‘কৃষি ভাবনা ও দূর্ভাবনা’ (ভারতী)। ১৭১ টি রেফারেন্স করে ২০০ পাতার বই। ১ বছরই ২য় পুর্নমুদ্রনও নিঃশেষিত হয়ে যায়। এখন ২য় সংস্করনের কাজ চলছে। চালু কৃষির ব্যবস্থাপনা নিয়ে যুক্তি সঙ্গত প্রশ্ন ও তার সহজ ও নিরাপদ সমাধান ওই বইয়ে দেওয়া হয়েছে। যোগাযোগ হল ড. মৃনাল কান্তি বোস ও বিসিকেভির অধ্যাপক স্বর্গীয় মানিক চন্দ্র কবি ও বোস ইনস্টিউটের অধ্যাপক তাপস ঘোষ প্রমুখ। কলকাতা বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য সনামধন্য বীজ বিজ্ঞানী অধ্যাপক রথীন্দ্র নারায়ন বসু রাজ্য কৃষি কমিশনের চেয়ারম্যান (২০০৭-০৯) থাকাকালিন আমি তাঁর সাহচর্যে আসার সুযোগ হয়। বিভিন্ন সময়ে স্যারের সঙ্গে কথাবার্তা হত। সেই সময় আমাদের অনেকেরই শিক্ষক মহাশয় অধ্যাপক তরুন কান্তি বসু মহাশয়ের আরো ঘনিষ্ঠ হতে পরে নিজেকে ধন্য মনে করি। তাঁদের প্রত্যেকের সাহচর্য আমার জীবনকে অনেক সমৃদ্ধ করেছে। কল্যানী বিশ্ববিদ্যালয়ে বটানি বিভাগের অধ্যাপক চন্দন সেনগুপ্ত মহাশয়ের কাছে আমার পি এইচ ডি (২০১২)। এর আগে (সেই সময়ে) কেউ দেশী ধান নিয়ে জৈব কৃষি নিয়ে গবেষনা করেন নি। কেরালা সুন্দরী, রাধাতিলক ও লাল স্বর্ন ধানের তুলনা মুলক উৎপাদন ও মাটির অনুজীবের পরিবর্তন নিয়েই আমার কাজ ছিল। দেশী ধান, জৈব কৃষি ও জীন শস্য নিয়ে আমার লেখা প্রবন্ধ অনেক জায়গায় প্রকাশিত হয়। সেই সব প্রবন্ধের পরিমার্ধন ও পরিমার্জন করে ২য় বই ছিল ‘বাংলার কৃষি ও কৃষক’ (নয়া উদ্যোগ, ২০১২)। ইতিমধ্যে আরো অনেক সমমর্মী মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়। বিশ্বভারতী ও কল্যানী বিশ্ববিদ্যালয়। তাঁদের সুবাদেই দেশী ধান নিয়ে আন্তর্জাতিক গবেষনা পত্রে আমার নামটিও সংযোজিত হয়। সারা ভারতেই যারা দেশী ধান ও জৈব কৃষি নিয়ে কাজ করেন তাঁদের কাছে এ টি সি ফুলিয়ার নামটি এখন বহুল পরিচিত। আমাদের দেশী ধান নিয়ে এ টি সি সর্বভারতীয় হিন্দু, টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ডাউন টু আর্থ ইত্যাদি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। রাজ্যসভা  টিভির বিজ্ঞান বিভাগে (science monitor 5th May 2015) এ টি সি ফুলিয়ার কথা সম্প্রচার করা হয়েছে। ভারতের বাইরে শ্রীলঙ্কার কলোম্বোর বহুল প্রচলিত রাভায়া ব্লগে আমার ইন্টারভিউ প্রকাশিত হয়। ২০১৩ সালে ওখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার ব্যক্তিগত সফরের সময় আমার সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন ওদেশের প্রথম সারির বিজ্ঞান সাংবাদিক নালকও গুনবর্ধনে। আমার পরম সৌভাগ্যের। বাংলাদেশে যাওয়ার সুবাদে কিছু সমমনস্ক মানুষের সঙ্গে আলাপ হয়। সরকারি ভাবে এবং ব্যাক্তিগত ভাবে তাঁরা এটিসির কার্যকলাপ দেখে গিয়েছেন।

২০১৪ সালের ২০-২২এ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গ সহ ৭টি রাজ্যের মোট ৬০ জন দেশী ধানের কৃষক ও জৈব কৃষকদের নিয়ে ৩ দিনের কর্মশালা এ টিসি ফুলিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়। ওটা ছিল রাজ্যের ইতিহাসে ওই ধরনের কর্মশালা প্রথম। তৎকালীন কৃষি অধিকর্তা এর জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি দিয়েছিলেন।

গোটা রাজ্যে কাজ করবার ছাড়পত্র : রাজ্যের মাটি মেলা ও রাজ্যের বাইরে বিভিন্ন মেলায় দেশী ধান প্রদর্শন করার জন্য অনুরোধ আসতে শুরু করে। প্রদর্শিত ধান দেখে মানুষের মধ্যে উৎসাহের সঞ্চার হয়। ২০১৪ সালে তৎকালীন কৃষি মন্ত্রী শ্রী পুর্নেন্দু বসু সেপ্টম্বরের মাসে কেন্দ্রের ধান দেখার পর আমাদের কাজের প্রশংসা করে বললেন এই বার্তা বিভিন্ন জেলা গিয়ে প্রচার করুন। রাষ্ট্রীয় কৃষি বিকাশ যোজনায় দেশী ধানের প্রচার, প্রদর্শনী ক্ষেত্র ও আলোচনা সভা করবার এক প্রকল্পের অনুমোদন হল অনেক টালবাহনার পর (২০১৫-১৬)। তৎকালীন অধ্যক্ষ শ্রীনয়ন দাস মহাশয় উদ্যোগী হয়েছিলেন। প্রথমে ১১টি জেলা ছিল এখন ১৬টি জেলায় কাজ চলছে। গোটা ভারতে এক বিরলতম দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। এখানকার সব আধিকারিকরা পালা করে কম বেশী বিভিন্ন জেলায় আলোচনা সভা ও মাঠ প্রদর্শনীতে যাচ্ছেন। পালিশ ছাড়া লাল ও কালো চাল প্রক্রিয়া করনের রাবার হালার দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

উল্লেখ যোগ্য সাফল্য: চালের পুষ্টিগুন বিশ্লেষন নিয়ে খড়গপুর আই আই টির সঙ্গে  কথাবার্তা অনেক দূর এগিয়েছে। চালের পুষ্টিগুন নিয়ে বিশেষ কোন কাজ হয় নি। মনে করা হচ্ছে এই ধরনের কাজ দপ্তরে বিরল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও অনান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাও বেশ কিছু দেশী ধানের উপর কাজ করছেন এবং মাটির জীবাণুর সংখ্যা নির্ধারন করছেন। বহু কৃষক ফুলিয়ার ধান দেখতে আসছেন, ধান পাকার সময় জাত নির্বাচন করে যাচ্ছেন। মনে হয় এত বেশী সংখ্যক কৃষক আর কোন খামারেই যান নি। দেশী ধানের প্রসার হচ্ছে, কৃষকের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে। কম খরচের স্বাস্থ্যকর বিকল্প খুঁজে পাচ্ছেন। এ’বছরের উল্লেখ যোগ্য সাফল্য হল শিলিগুড়ি মহকুমায় তিনটি ব্লকে ৬টি দেশী ধানের জাত নিয়ে প্রায় ৪০০০ হেক্টর চাষ হয়েছে। শ্রী অভ্র চক্রবর্তীর নির্বাচিত ধান চমৎকার, বেনারসের জয় প্রকাশ সিং এর জে পি ৭২ ও ১১০, কালো নুনিয়া, কেরালা সুন্দরী ও মল্লিফুলো ধান দিয়েই এই পরিমান এলাকা বেড়েছে। কৃষকরা আর ডিলারের থেকে বীজ কিনতে চাইছেন না। এটা একটা সর্বভারতীয় রের্কড। আবার ঝড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকে আধুনিক জাতের পরিবর্তে সার ও বিষ বর্জন করে কেরালা সুন্দরী, মল্লিফুলো ধানের এলাকা বেড়ে দাড়িয়েছে ২৫০ হেক্টরের কাছাকাছি। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়েছে কেরালা সুন্দরী, বহুরুপী (ফলন প্রায় কাঠায় মন), রাধাতিলক, জেপি ১১০/৯০, চমৎকার, কালাভাত, মল্লিফুলো (মাঝারি লম্বা ও সুগন্ধী), খাড়া (পাতা বেগুনী, চাল-লাল) ও ষাটিয়া (লাল চাল), বালাম (সরু চাল), আদানছিলপা (লাল সুগন্ধী চাল), লাল দুধেরসর ইত্যাদি। অনেক জায়গায় কৃষকরা কালাভাত চাল/ধান বিক্রি করতে পারছেন না, আবার অনেক জায়গায় পেরেছেন এবং পারছেন সরকারি সাহায্য ছাড়াই। ওই চালের তৈরী বিশেষ ছাতু গড়বেতায় খুব ভালো ভাবেই বিক্রি হচ্ছে। আমাদের পরামর্শে রাজ্যে ২৬টি বড় রকমের বীজ সংরক্ষণ কেন্দ্র তৈরী হয়েছে। সবই কৃষক/কৃষক গোষ্ঠি পরিচালিত। দেশী ধানের বীজের অভাব কোথাও নেই। আমাদের কেন্দ্রের দেশী ধানের উপর ১১ রকমের লিফলেট প্রকাশ করা হয় বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজিতে  বিভাগের কৃষি তথ্য ও প্রচার সংস্থা যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে ছাপিয়েছেন। পরে রাষ্ট্রীয় কৃষি বিকাশ যোজনার অর্থানুকূল্যে আমাদের কেন্দ্র থেকেও অনেক লিফলেট ছাপানো হয়। এই ধরনের উদ্যোগ ভারতে বিরল।

দেশজ ধানে বিষ ও সার লাগে না। খামারে জৈব সার প্রয়োগ বন্ধ করা হয়েছে ২০১০ সাল থেকে। ধান লাগানোর পর ১ ইঞ্চি জল থাকা অবস্থায় ২১ দিন পর প্রথম নিড়ানি করার পর আজোলা ছেড়ে দেওয়া হয়। শুধুমাত্র ভাসমান আজোলা দিয়ে বিশেষ কিছু উচ্চ ফলন শীল দেশী ধানের ফলন বিঘায় ২০ মন পাওয়া সম্ভব। যদি আর্দশ ফসল চক্র অনুসরন করা হয়। এটাই হল প্রাকৃতিক চাষ এবং রাজ্যের একমাত্র প্রাকৃতিক চাষের পুরোনো খামার। মাটির সি ই সি, জৈব কার্বন ও অনুজীবের সংখ্যা বেশী হওয়ার কারনেই রোগ ও পোকা বিহীন ফসল ও ফলন পাওয়া সম্ভব। এই কাজে আন্তরিক ভাবে সহযোগিতা করেছেন বি সি কেভির ড. কুশল রায়, জয়ন্ত তরফদার, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. সুদীপ্ত ত্রিপাঠি। মোটামুটি টানা ১৭ বছরই মাটি পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রথম দিকে রুটিন টেস্ট করা হত টালিগঞ্জের মাটি পরীক্ষাগার থেকে।

বিভিন্ন প্রকল্পে সারা বছরই কম বেশী প্রশিক্ষণ চলে। এক বছর ব্যাপি (সাপ্তাহিক এক দিন) ডিলারদের, ২/৫ দিনের, ১ দিনের দেশী ধানের প্রশিক্ষণ ইত্যাদি চলছে। রেডিও সেন্টারও তৈরী হচ্ছে। রাজ্যের কৃষি বিভাগে এই প্রথম ২৪ কিলো ওয়াটের সোলার প্যানেল বসেছে। কামনা করি এই প্রতিষ্ঠানের আরো সমৃদ্ধি। সকলের চেষ্টায় আরো সুন্দর হোক।

আপনার মতামত লিখুন :

4 responses to “আমাদের এটিসি (এগ্রিকালচার ট্রেনিং সেন্টার) ফুলিয়া : লিখছেন অনুপম পাল”

  1. Dr. Sudipta Tripathi says:

    Excellent, Congratulations.

  2. তোমার কাজে আমার গর্ব ।
    এধরনের প্রচারমূলক লেখা খুব জরুরী ।

  3. RAJAT CHATTERJEE says:

    Thank you very much for sharing the inspiring story.

  4. Buddhadeb Bera,M.Sc. Agricultural,BCKV says:

    What’s a amazing achievement Dada,Go ahead with lots of bright future through elemination of all aberrant situation for forthcoming generation of world.congratulations dada.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন


Currently Maintained by the2.dev