সম্প্রতি লকডাউনের জেরে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা দেখে আঁতকে উঠেছে গোটা দেশ। মাইলের পর রাস্তা হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছেন তারা। কেউ পেরছেন কেউ আবার মাঝপথেই হেরে গিয়েছেন জীবনের কাছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লকডাউনের শুরুতেই ১৮টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকদের ব্যাপারে। কিন্তু ফল কিছু হয় নি। শেষে রাজ্য সরকার উদ্যোগ নিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করে।

যে যেখানকার পরিযায়ী শ্রমিক তাদের সেই এলাকায় প্রথমিক স্কুল বা হাইস্কুলে কোয়ারান্টিন সেন্টারে থাকার ব্যবস্থা করা হয়।

আজ মেখলিগঞ্জের বিধায়ক অর্ঘ্য রায় প্রধান দেওয়ানগঞ্জ অঞ্চল কমিউনিটি কোয়ারান্টিন ও পারমেখলিগঞ্জ এবং হেমকুমারী কোয়ারান্টিন সেন্টারে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করেন। সচেতনতার বার্তার পাশাপাশি কোয়ারান্টিন সেন্টারে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের হাতে চাল, ডিম, তেল-সহ খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।
ছবি ও সংবাদ : রাজীব সরকার