আলু চাষ-সহ অন্যান্য কাজে বাঁকুড়া, মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার শ্রমিকরা কাজে আসেন হুগলি জেলার বিভিন্ন এলাকায়। এই জেলাগুলি থেকে আস্তারা দত্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রামে কাজে এসেছিলেন প্রায় চারশো শ্রমিক। লকডাউনের জেরে সকলেই আটকে পড়েন। এদিকে সরকারি ভাবে দুঃস্থ পরিবারগুলিকে রেশনে দেওয়া হচ্ছে চাল গম। কিন্তু এই চারশো শ্রমিক ভিন জেলার হওয়ায় এদের রেশন কার্ড এখানে গ্রাহ্য নয়, ফলে খাদ্য সংকটে পড়েন তারা। গত তিন দিন ধরে তাদের অস্থায়ী ভাবে চাল, ডাল, আলু-সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন আস্তারা দত্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আনন্দ মোহন ঘোষ-সহ পঞ্চায়েত কর্মীরা। এছাড়াও পঞ্চায়েতের তরফ থেকে দত্তপুর প্রথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে দেওয়া হয় মাস্ক ও স্যানিটাইজার। ভিন জেলার শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে দেন এলাকার আশা কর্মীরা। করোনা সচেতনতায় পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে প্রচার চালায় আস্তারা দত্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। ভিন রাজ্য থেকে আগতদের পরিবারগুলিকে আগে থেকে সতর্ক করা হয় পঞ্চায়েতের তরফ থেকে। পঞ্চায়েত প্রধান আনন্দ মোহন ঘোষ বলেন সরকারি নির্দেশিকা পেয়েই আমরা এলাকার সাধরণ মানুষ কে সচেতন করতে শুরু করি। সরকারি ভাবে রাজ্য সরকার দুঃস্থ পরিবারগুলিকে খাদ্য সংকটের হাত থেকে বাঁচাতে রেশনে বিনা মূল্যে খাদ্য দ্রব্য সরবরাহ করছে। সমস্যায় পড়েছিলেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা প্রায় চারশো জন শ্রমিক। আমরা পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে তাদের চাল, ডাল-সহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী তাদের অস্থায়ী গৃহে পৌঁছে দিয়েছি। করোনা মোকাবিলায় যত লকডাউন চলবে আমরা পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে তাদের পাশে থাকবো৷
ছবি ও সংবাদ : সুভাষ মজুমদার