রাজ্যের জেলায় জেলায় যখন আবাস যোজনা নিয়ে একের পর এক প্রতিবাদ — ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছে, তখন হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুর ব্লকে নির্বিঘ্নে আবাস যোজনার প্রাপকদের নিয়ে সচেতনতা শিবির হলো। উদয়নারায়ণপুর ব্লক প্রশাসন ও পঞ্চায়েত সমিতির তত্ত্বাবধানে এদিন স্থানীয় বিধায়ক সমীর পাঁজা, হাওড়া জেলা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি — সোমনাথ পাল, বিডিও প্রবীর কুমার শীট, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুলেখা পাঁজা প্রমুখ ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে উদয়নারায়ণপুর ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯১৬ জন প্রাপকদের নিয়ে সচেতনতা শিবিরে, স্থানীয় বিধায়ক সমীর পাঁজা আবাস যোজনার প্রাপকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, “প্রথম পর্যায়ে আপনারা সকলে ৯০ দিনের মধ্যে এই টাকায় ঘরের কাজ সম্পন্ন করবেন, আবার পরবর্তী পর্যায়ে ঠিক একইভাবে আপনাদের দ্বিতীয় পর্বের টাকা দেওয়া হবে। কোথাও কোনওরকম ভাবে কোনও অসাধু ব্যক্তিকে এক পয়সাও আপনারা যেমন ঘুষ দেবেন না তেমনি কোনও ব্যক্তি যদি জোরপূর্বক আপনাদের বাড়ি তৈরী করার মালপত্র কেনার ব্যাপারে বলে, সরাসরি আমাকে ফোন করবেন। নাহলে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, বিডিও সাহেবকেও জানাতে পারবেন।” বিধায়কের এমন নিদানে স্বভাবতই প্রাপকদের চোখে মুখে স্বতঃস্ফূর্ততার হাসি দেখা যায় উদয়নারায়ণপুর বিডিও অফিস চত্বরে।

ইংরেজি নতুন বছরে উপহার হিসেবে গরীব মানুষেরা আবাস যোজনায় দ্রুত বাড়ি তৈরীর জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন কেউ কেউ, আবার কেউ কেউ দুহাত তুলে আশীর্বাদ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্থানীয় বিধায়ক সমীর পাঁজাকে।

আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সরাসরি ৯১৬ জন উপভোক্তাদের একাউন্টে টাকা পৌঁছে যাবে বলে জানা গিয়েছে প্রশাসন সূত্রে। এদিনে উদয়নারায়ণপুর ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ-সহ প্রশাসনিক আধিকারিকবৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।