বেলপাহাড়ীর কথা বললেই মনে পড়ে যায় আমলাশোলের কথা। বিগত দশ বছর আগে যেখানকার মানুষকে পিঁপড়ের ডিম খেয়ে বাঁচতে হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৌলতে যা আজ অতীত। আজ বেলপাহাড়ীর মানুষের জীবন ও জীবিকার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। কিন্তু এখনও কিছু মানুষ আছেন যারা দিন আনে দিন খায় তাঁরা এই লকডাউনের ফলে কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন।

জঙ্গলে কাঠও কাটতে যেতে পারে না। তা নিয়ে বাজারেও যাওয়া হয় না আর পারিশ্রমিকও আসে না। তাই এই সময় কেউ ত্রাণ নিয়ে এলে ওদের চোখে মুখে ভেসে ওঠে আনন্দের বার্তা। জেলা ও ব্লক প্রশাসন থেকে শুরু করে তৃণমূল নেতৃত্ব সবাই ওদের পাশেই আছে। কিছুদিন আগেই তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ত্রাণ জেলাতে পৌঁছেছে। এই সময় ওই প্রান্তিক মানুষগুলোর মনের খবর নিতে সন্দাপাড়া অঞ্চলের ডররা, সিতপুর-সহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে হাজির হলেন ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী বীরবাহা সরেন।

নিজ হাতে ১০০-১৫০টি পরিবারের মধ্যে ত্রণ বিলিও করলেন। জানালেন, সবাইকে আশ্বস্ত করেছেন কোনো ধরণের সমস্যা হলে খবর দিতে উনি তৎক্ষনাত পৌঁছে যাবেন। অনুরোধ করলেন সবাই যেন সরকারি নির্দেশ মেনে বাড়িতেই থাকেন। ওনার সাথে সারাদিন যোগ্য সঙ্গত দিলেন তরুণ ব্লক সভাপতি চিন্ময় মাহাত ওরফে বুবাই।
ছবি ও সংবাদ : সুদীপ্ত চক্রবর্তী