হুগলির রাজবলহাটে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের হাওড়া-হুগলি হিন্দু মিলন মন্দিরের দু-দিনের জেলা সম্মেলন, ৩৩তম বার্ষিক উৎসব ও হিন্দুধর্ম শিক্ষা-সংস্কৃতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। ৮ ও ৯ জানুয়ারি এই দুদিনের সম্মেলন শুরু হয় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। সকালে গীতা পাঠ, ভক্তিগীতি ও গৈরিক পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর স্বামীজিদের বরণ ও মাল্যদানের মধ্যে দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করা হয়। প্রথম দিন জেলা সম্মেলনের সূচনা করেন স্বামী সর্বাত্মানন্দজী মহারাজ। দুপুরে গুরু মহারাজের পূজা আরতি। মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক নানান অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রথম দিনের সম্মেলন শেষ হয়।

দ্বিতীয়দিনে ঊষা আরতি ও বেদ পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শোভাযাত্রা-সহ নগর পরিক্রমা। বিকেলে হিন্দু ধর্ম, শিক্ষা ও সংস্কৃতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়। এদিন সামাজিক অবক্ষয় রোধে ও চরিত্র গঠনে আচার্য্য প্রণবানন্দজী মহারাজের অবদান নিয়ে আলোকপাত করেন স্বামী দেবরূপানন্দজী, স্বামী সর্বাত্মনন্দজী, স্বামী সোমেশ্বরানন্দজী ও মানস কুমার ভট্টাচার্য্য প্রমুখ ।

উল্লেখ্য, পরিচালন কমিটির যুগ্ম সম্পাদক শৈলেন্দ্রনাথ দে বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দু-দিনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল। ধর্ম কী? প্রকৃত জীবন কী? মহাপাপ কী? মহাশক্তি কী? এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

দু-দিনের এই সম্মেলনে দীক্ষাপর্বও চলে। হাজার হাজার ভক্ত সমাগমে সমগ্ৰ অনুষ্ঠান মুখরিত হয়। অনুষ্ঠানের শেষে হাজার হাজার ভক্ত দুপুরের প্রসাদ গ্ৰহণ করেন।