নৃত্যকলার ইতিহাসে ভারতীয় নৃত্যকলা হচ্ছে প্রাচীন নৃত্যকলার অন্যতম। খৃষ্টপূ্র্ব প্রথম সহস্রাব্দের বহু ভারতীয় গ্রন্থে ভারতীয় নৃত্যকলার বিষয়ে বর্ণনা দেখা যায়।
পৌরাণিক যুগ থেকেই নৃত্য ও সঙ্গীতের সঙ্গে নটরাজ বেশে শিবের যোগ বিদ্যমান। সারা ভারতে, বিশেষত তামিলনাড়ুতে, নটরাজের পাশাপাশি নৃত্যমূর্তি নামে শিবের নানান নৃত্যরত মূর্তি পাওয়া যায়। শিবের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত দুটি নৃত্যের নাম হল তাণ্ডব ও লাস্য। তাণ্ডব ধ্বংসাত্মক ও পুরুষালি নৃত্য; শিব কাল-মহাকাল বেশে বিশ্ব ধ্বংসের উদ্দেশ্যে এই নাচ নাচেন এবং মধুর ও সুচারু নৃত্যকলা লাস্যকে তাণ্ডবের নারী সুলভ বিকল্প মনে করা হয়; এই আবেগময় নৃত্যকে পার্বতীর নাচ রূপে কল্পনা করা হয়। তাণ্ডব ও লাস্য নৃত্য যথাক্রমে ধ্বংস ও সৃষ্টির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
সুন্দরী নারীদের অপ্সরা উপমায় ভূষিত করার অনেক বাক্য হয়তো আমরা অনেকেই শুনে থাকব। অপ্সরা সুন্দরী, রূপে, গুণে অতুলনীয়া। সংগীতে পারদর্শী, নৃত্যে পটিয়সী। তারা স্বর্গের হুর। দেবতাদের আসরে নৃত্য গীতে মনোরঞ্জন করেন। মুনি, ঋষিদের সাধনা ভাঙ্গাতে দেবতাদের চক্রান্তে অপ্সরাদের রূপ মাধুরীতে ছল চাতুরীর কাহিনীও পাওয়া যায় পৌরাণিক কাহিনীতে। এই যেমন, অপ্সরা মেনকার রূপে কামনা গ্রস্থ হয়ে বিশ্বামিত্রের সাধনা ভঙ্গ হয়, আর জন্ম হয় শকুন্তলার। এভাবেই, পৌরাণিক কাহিনীতে মেনকা, রম্ভা, উর্বশী এবং আরও অপ্সরাদের কার্যকলাপের অভাব নেই। বলতে গেলে ইনারা গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছেন।

বিশ্বামিত্র কঠোর সাধনায় রপ্ত হলে দেবরাজ ইন্দ্র ভীত হলেন। বিশ্বামিত্র না আবার স্বর্গ রাজ্য কেড়ে নেন তার কাছ থেকে। তাই সাধনা ভঙ্গের জন্য পাঠালেন অপ্সরা মেনকাকে। মেনকা তার রূপ, রস, গন্ধ, কলা নিয়ে এলেন। ধ্যানরত ঋষির পাশে মেনকা শুরু করলেন কামনা মদির নৃত্য ও সংগীত, কাম শৃঙ্গার। একদিকে দেবরাজ ইন্দ্রের চক্রান্ত। অন্যদিকে কামনার মেনকা, মোহিনী সংগীত, মোহনীয় নৃত্য; আর কাম দেবতার ফুলশর।
বিশ্বামিত্রের ধ্যান ভাঙ্গে না। মেনকাও হাল ছাড়েন না। বরফ গলল। আগুন দাউদাউ করল। কামশাস্ত্রের সকল কলা নৈপুণ্য মেনকা প্রয়োগ করলেন। বিশ্বামিত্র পুরোদমে কামনাতুর প্রেমিক হয়ে গেলেন। বিশ্বামিত্র ও মেনকার মিলনে শকুন্তলার জন্ম হল। বিশ্বামিত্র দায়িত্ব না নিয়ে চলে গেলেন সাধনা ভঙ্গের যন্ত্রনা নিয়ে। অপ্সরা মেনকাও চলে গেলেন শকুন্তলাকে ফেলে।
ওড়িশি পূর্ব ভারতের ওড়িশা রাজ্যের একটি শাস্ত্রীয় নৃত্যশৈলী। এটি ভারতের আটটি ধ্রুপদী নৃত্যশৈলীরও অন্যতম। ভারতীয় নৃত্যের আদিগ্রন্থ নাট্যশাস্ত্র এই নৃত্যশৈলীটিকে ওড্র-মাগধী নামে অভিহিত করেছে।
ভুবনেশ্বরের নিকটস্থ উদয়গিরি পর্বতে প্রাপ্ত খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে নির্মিত একটি খোদাইচিত্র থেকে এই নৃত্যের প্রাচীনত্ব প্রমাণিত হয়। অনুমিত হয়, ব্রিটিশ আমলে এই নৃত্যশৈলীটি কিছুটা অবদমিত হয়েছিল; কিন্তু স্বাধীনতার পর আবার এর পুনরুজ্জীবন ঘটে। ওড়িশি নৃত্যে ত্রিভঙ্গি (মাথা, বুক ও শ্রোণীর স্বতন্ত্র সঞ্চালনা) এবং চৌকা (মৌলিক চতুষ্কৌণিক ভঙ্গিমা) এই দুয়ের উপর অতিরিক্ত গুরুত্বারোপ ওড়িশিকে অন্যান্য শাস্ত্রীয় নৃত্যশৈলী থেকে পৃথক করেছে। ওড়িশি সংস্কৃতিতে তিনটি ঘরানার উপস্থিতি লক্ষিত হয় — মহারি, নর্তকী ও গোতিপুয়া। ওড়িশার মন্দিরগুলিতে দেবদাসীদের মহারি নামে অভিহিত করা হত। শব্দটির উৎস মহা ও নারী শব্দদ্বয়; দুয়ে মিলে মহারি বা নির্বাচিত কথাটি এসেছে। এই দেবদাসীরা মূলত পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের নর্তকী ছিলেন। ভিতরি গৌণী মহারিরা মন্দিরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু বাহারি গৌণী মহারিরা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারলেও গর্ভগৃহে তাঁদের প্রবেশাধিকার নেই।

গোতিপুয়া ঘরানার উদ্ভব হয় খ্রিস্টীয় ষোড়শ শতাব্দীতে। এই ঘরানার উদ্ভবের অন্যতম কারণ ছিল বৈষ্ণবধর্মে নারীর নৃত্য স্বীকৃত ছিল না। গোতিপুয়ারা ছিল ছোটো ছোটো ছেলে; যাদের মেয়ে সাজিয়ে দেবদাসীদের দ্বারা নৃত্যশিক্ষা দেওয়া হত। এই সময় বৈষ্ণব কবিরা ওড়িয়া ভাষায় অনেক রাধাকৃষ্ণ-বিষয়ক পদ রচনা করেন। গোতিপুয়ারা এই সকল পদের সঙ্গতে মন্দিরের বাহির প্রাঙ্গনে নৃত্য করত। নর্তকী নৃত্যশৈলীটির উদ্ভব প্রাক-ব্রিটিশ যুগে। ওড়িশার রাজপ্রাসাদে এই নৃত্য উপস্থাপিত হত। এই সময় দেবদাসী প্রথার অবমূল্যায়ণ ভীষণভাবে সমালোচিত হয়। এই কারণে মন্দির থেকে দেবদাসী প্রথার উচ্ছেদ করা হয় এবং রাজসভাতেও এই প্রথা অপ্রচলিত হয়ে পড়ে। কেবলমাত্র গোতিপুয়া ঘরানার কিছু উদাহরণ টিকে যায়। এই নৃত্যর পুনরুজ্জীবনের সময় প্রত্নতাত্ত্বিক ও নৃতাত্ত্বিক উপাদানগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। যার ফলে বর্তমানে এই নৃত্যশৈলীতে শুদ্ধতাবাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা হয়।
মঙ্গলাচরণ : একটি সম্ভাষক নৃত্যাঙ্গ। জগন্নাথ প্রণামের পর দেবদেবীর স্তবগানবাচক একটি শ্লোক গাওয়া হয়, যার অর্থ উপস্থাপনা করা হয় সমগ্র নৃত্যের মাধ্যমে। মঙ্গলাচরণে ভূমিপ্রণাম করা হয়, মাতা বসুমতীর কাছে তাঁকে পদদলিত করার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করে। এছাড়া করা হয় ত্রিখণ্ডী প্রণাম বা তিন অঙ্গের প্রণাম। এই প্রণামে মস্তক দ্বারা ঈশ্বরকে, মুখাগ্র দ্বারা গুরুদেব এবং বক্ষাগ্র দ্বারা দর্শকদের প্রণাম করা হয়।
বাট্টু নৃত্য : এটি ওড়িশির একটি বিশেষ নৃত্যশৈলী যা নটরাজ শিবের বটুকভৈরব রূপটিকে উদ্দেশ্য করে নিবেদন করা হয়।
পল্লবী : এটি একটি বিশুদ্ধ নৃত্যশৈলী যা কোনো একটি রাগকে চক্ষুসঞ্চালন, দেহভঙ্গিমা ও জটিল পদচালনা দ্বারা ফুটিয়ে তোলে।
অভিনয় : এই শৈলীটিতে কবিতার মাধ্যমে কোনো একটি কাহিনি দর্শকের সামনে উপস্থাপনা করা হয় এবং নৃত্যশিল্পী মুদ্রা বা হস্তভঙ্গিমা, মুখাভিব্যক্তি ও দেহচালনা দ্বারা সেই কাহিনিটির নৃত্যায়ন ঘটান।

দশাবতার : এটি একটি নৃত্যশৈলী যার মাধ্যমে জয়দেব রচিত গীতগোবিন্দম্ কাব্যের বিষ্ণুর দশাবতার বর্ণনাটিকে ফুটিয়ে তোলা হয়।
মোক্ষ : এটিকে মুক্তির নৃত্য বলে অভিহিত করা হয়। এটি একটি বিশুদ্ধ নৃত্যশৈলী যা মাদল ও পাখোয়াজের সঙ্গতে উপস্থাপিত হয়ে থাকে।
মোহিনীঅট্টম দক্ষিণ ভারতের কেরল রাজ্যের একটি ধ্রুপদী নৃত্যশৈলী। এই রমণীয় নৃত্যকলাটি সাধারণত মহিলারাই এককভাবে উপস্থাপনা করে থাকেন। “মোহিনীঅট্টম” শব্দটির আক্ষরিক অর্থ “মুগ্ধকারিনীর নৃত্য”। শব্দটির উদ্ভব “মোহিনী” (যে নারী নিজরূপে সকলকে মুগ্ধ করে) এবং “অট্টম” (সৌন্দর্য ও লাস্যময়ী অঙ্গভঙ্গি) শব্দদ্বয়ের সংযোজনে। মোহিনী সংক্রান্ত দুটি কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। দুটিই ভগবান বিষ্ণুর মোহিনী নারীমূর্তি ধারণ সংক্রান্ত। প্রথম কাহিনি অনুসারে, সমুদ্র মন্থনকালে উত্থিত অমৃতের ভাগ হতে অসুরদের বঞ্চিত করার লক্ষ্যে বিষ্ণু মোহিনী নারীর বেশ ধারণ করে তাদের প্রলুব্ধ করেন। দ্বিতীয় কাহিনি অনুসারে ভষ্মাসুরের হাত থেকে শিবকে রক্ষা করতে বিষ্ণু মোহিনী মূর্তি ধারণ করেন। সম্ভবত, “মোহিনীঅট্টম” নামটি বিষ্ণুর এই উপাখ্যানের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কারণ, এই নৃত্যের মূল উপজীব্য ঈশ্বরের প্রতি প্রেম ও ভক্তি, যেখানে নায়ক সাধারণত বিষ্ণু বা কৃষ্ণ।

সেকালে দেবদাসীরা মন্দিরে এই নৃত্য উপস্থাপনা করতেন। যদিও এই নৃত্যে কথু ও কোট্টিয়াট্টমের অনেক উপাদানই রয়েছে। এটি আসলে নৃত্য ও কাব্যের সমন্বয়ে সৃষ্ট এক নৃত্যনাট্য। দক্ষিণ ভারতের অপর দুই ধ্রুপদী নৃত্যশৈলী ভরতনট্যম ও কথাকলি নাচের অনেক উপদান ও প্রভাব এই নাচে পরিলক্ষিত হয়। মোহিনীঅট্টমের রূপায়ন হয়েছিল তাঞ্জাভুর চতুষ্টকের অন্যতম ভাদিভেলুর রাজা স্বাতী তিরুনলের রাজসভায়। এই নৃত্যের বৈশিষ্ট্য প্রসারিত নিতম্বের দোলন এবং বিভিন্ন অঙ্গের পাশাপাশি মৃদু সঞ্চালন। এটি মোহিনীঅট্টমের দেশ কেরলের নদী তীরে অবস্থিত তাল গাছের পত্রসঞ্চালনের রূপক। মোহিনীঅট্টমে চল্লিশটি পৃথক মৌলিক ভঙ্গিমা রয়েছে। এগুলিকে ‘অটভুকল’ বলা হয়। ইন্দ্রিয় প্রলোভন ব্যাতিরেকে মনের মুগ্ধতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নর্তকী তাঁর চোখ দুটি লজ্জিত অথচ মনোমুগ্ধকর ভঙ্গিতে সঞ্চালনা করেন। মোহিনীঅট্টম নর্তকীর পরিধেয় হল শাড়ি। এই শাড়ির প্রান্তভাগে উজ্জ্বল সোনালি রঙের সূচিকর্ম অঙ্কিত থাকে। এই ধরনের প্রান্ত ‘কসভু’ নামে পরিচিত। মোহিনীঅট্টমের উপস্থাপনা হস্ত লক্ষণদীপিকা নামক এক ধ্রুপদী গ্রন্থ অনুসারে হয়ে থাকে। এই গ্রন্থে বিভিন্ন মুদ্রার হাতের তালু ও আঙুলের বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি বিস্তারিত বিবরণী পাওয়া যায়। মোহিনীঅট্টমের সঙ্গতে গীত কণ্ঠসংগীতে চোল্লু নামে পরিচিত এক ছান্দিক গঠনের রূপভেদ লক্ষিত হয়। গীতিকাগুলি সংস্কৃত ও মালয়ালম ভাষার সংমিশ্রণে গঠিত মণিপ্রভালম এ রচিত। এই গীতিকাগুলির সঙ্গতে নর্তকীর সূক্ষ্ম অঙ্গভঙ্গি ও পদসঞ্চারণার মাধ্যমে মোহিনীঅট্টম নৃত্য উপস্থাপিত হয়।
রাসলীলায় যে নৃত্য পরিবেশন করা হয় সেটাই রাসনৃত্য নামে পরিচিতি। রাসপূর্ণিমা উৎসব বাংলাদেশের মনিপুরী আদিবাসীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী উৎসব। প্রতি বছর কার্তিক পূর্ণিমা তিথিতে এই উৎসব পালন করা হয়। রাস উৎসব উপলক্ষে আয়োজন করা হয় রাসনৃত্যের। রাসনৃত্য মনিপুরী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধ্রুপদী ধারার এক অপূর্ব শৈল্পিক সৃষ্টি। অদৃশ্য রসের দৃশ্যমান রূপই হলো রাস। রাসনৃত্য পাঁচ ভাগে বিভক্ত ; যথাঃ “মহারাস”, “বসন্ত রাস”, “কুঞ্জরাস”, “দিব্যরাস” ও “নিত্যরাস”। এর মধ্যে “মহারাস” জাঁকজমকপূর্ণ।

ভগবত পুরাণের পঞ্চম অধ্যায়ে বর্ণিত কৃষ্ণ অভিসারে রাধা, গোষ্ঠী অভিসার, গোপীগণের রাগ আলাপ, কৃষ্ণর্তন, রাধানর্তন, গোপীদিগের নর্তন, শ্রীকৃষ্ণের অন্তর্ধান, প্রত্যাবর্তন, পুষ্পাঞ্জলি, গৃহগমন প্রভৃতি পর্যায়ে মহারাস অনুষ্ঠিত হয়। রাসনৃত্যে সাধারণত রাধা ও কৃষ্ণের ভূমিকা দেয়া হয় শিশুদের, যাদের বয়স পাঁচের কম। মনিপুরীদের বিশ্বাস, এই বয়সের পর শিশুদের দৈবশক্তি লোপ পেয়ে যায়। তবে প্রকৃত নাটনৃত্য ও গীত পরিবেশন করে তরুণীরা, যারা রাধার সহচরী হিসাবে মঞ্চে আসে।
রাসনৃত্যের কেন্দ্রবিন্দু ভঙ্গি পরেং অর্থাৎ নৃত্যমালিকা। রাসলীলা শুরু হয় নট সঙ্কীর্তন দিয়ে। গোবিন্দজীর মন্দিরের বিশাল মণ্ডপে আরাধ্য দেবতার মূর্তির সামনে শিল্পীরা মৃদঙ্গ ও করতাল সহযোগে সঙ্কীর্তন করে। বিশেষ পোশাকে সাজেন শিল্পীরা। শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য বন্দনা দিয়ে শুরু হয়ে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ব্যাপী রাসসঙ্গীত অনুষ্ঠিত হয়। রাসনৃত্যের মাধ্যমে ভক্ত-শিল্পীরা শ্রীকৃষ্ণের সাথে আবেগসূত্রে মিলিত হয়। বাংলা, মৈথিলী, ব্রজবুলি ও মৈতৈ কবিদের পদাবলি থেকে রাসনৃত্যের গীত গাওয়া হয়। মনিপুরী আদিবাসীরা নট সঙ্কীর্তন ও রাস আজও প্রতি বছর যথানিয়মে উৎসব ও ভক্তিসহকারে উদযাপন করে।
ভাংড়া ভারতও পাকিস্তানের পাঞ্জাব অঞ্চলের একটি একটি লোকনৃত্য। বৈশাখী উৎসব উদযাপনের অঙ্গ হিসেবে এই নৃত্যের জন্ম। বর্তমানে শিখসম্প্রদায় এই নৃত্যকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দরবারে তুলে ধরে এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করেছেন।
বিশ্ব নাট্য দিবসে ভারতীয় নৃত্যকলাকে স্মরণ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে।
মনোজিৎকুমার দাস, লেখক ও গবেষক, লাঙ্গলবাঁধ, মাগুরা, বাংলাদেশ।