রবীন্দ্রনাথের জীবনদর্শন থেকে সাহিত্যের তত্বে তাঁর মিলনসাধনের কথা নানাভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ১৯১২-তে তৃতীয় বার য়ুরোপ যাত্রার প্রাক্কালে কবির মনে হয়েছিল, ‘মানুষের মধ্যে যারা দূরে যেতে পেরেছে তারাই আপনাকে পূর্ণ করতে পেরেছে।’ সেই পূর্ণতাবোধে তাঁর স্বচ্ছন্দ অভিসারী মন সদা সক্রিয় ছিল। সেখানে পাহাড়ে দৃষ্টি আটকে পড়ে দেখে তার চেয়ে সমুদ্র ছিল প্রিয়। অথচ পিতার সঙ্গে পাহাড় দেখার অভিজ্ঞতাতেও পরবর্তীতে তাঁর শ্রদ্ধানত প্রকৃতি বিস্মিত করে। রথীন্দ্রনাথ নৈনিতালের রামগড়ে একটি বাংলো ও বাগান কিনেছিলেন। নোবেল পাওয়ার পরবর্তীতে সেই পাহাড়ের সান্নিধ্যে এসেও রবীন্দ্রনাথের শ্রদ্ধাবোধ আন্তরিক হয়ে ওঠে। সেখান থেকে সি এফ এন্ড্রুজে লেখা চিঠিতে তিনি প্রসঙ্গক্রমে লিখেছেন, ‘I am already bending my knees to father Himalaya asking pardon for keeping aloof for so long in blind distrust.’ আবার সেই বছরেই জয়পুর ভ্রমণের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও এণ্ড্রুজকে জানিয়েছেন। আসলে রবীন্দ্রনাথের মানসযাপনে ভ্রমণের সচলতা যেমন স্বাভাবিক, তেমনই আপন করে যাপন করারও আন্তরিক। এজন্য দার্জিলিং-এর পাহাড়ি কোলে আশ্রয় নিয়েছেন জীবনের উপান্তেও। সেদিক থেকেই তাঁর ঘরের টানও নিবিড় হয়ে আসে। সেকথা তাঁর ভ্রমণকথাতেই নানা ভাবে উঠে এসেছে।

বালিয়ায় জমিদারি দেখতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ তাঁর দ্বৈতসত্তার কথা স্মরণ করেছেন। তাঁর কথায় : ‘ঘরের কোণও আমাকে টানে, ঘরের বাহিরও আমাকে আহ্বান করে। খুব ভ্রমণ করে দেখে বেড়ার ইচ্ছে করে, আবার উদ্ভ্রান্ত আন্তমন একটি নীড়ের জন্যে লালায়িত হয়ে ওঠে।’ অবশ্য সে গৃহকাতরতা ছিল নিজেকে আপন করে পাবার আয়োজনে, স্বাচ্ছন্দ্যের একান্ত প্রয়োজনে নয়। এজন্য পথে পথেই গৃহবাসী মনের চলন ছিল সমান সক্রিয়। তাঁর সৃষ্টিও চলেছে ভ্রাম্য প্রকৃতির মধ্যেই। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ভ্রমণে বেরিয়ে যেখানেই নিজেকে খুঁজে পেয়েছেন, সেখানেই তাঁর গৃহবাসী হওয়ার কথা অকপটে ব্যক্ত করেছেন। শুধু তাই নয়, ১৮৮৮তে গোলাপের বাগানের টানে উত্তর ভারতের গাজীপুরে সপরিবারে বেড়াতে গিয়ে একটি বাড়িই কিনেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। সেখানে ‘মানসী’ কাব্যের অনেক কবিতা রচনা করেন। অন্যদিকে ১৯২৬-এ ইতালি সফরকালে সফরসঙ্গী নির্মলকুমারী মহলানিবাসের লেখা থেকে জানা যায়, অধ্যাপক ফর্মিকে কবি ফিওসোলে গ্রাম দেখতে গিয়ে মুগ্ধ হয়ে ছোট্ট একটি কুঁড়ে ঘর বানিয়ে দেওয়ার কথাই শুধু বলেননি, বাকি জীবনও সেখানে কাটিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এভাবে ঘাটশিলায় বেড়াতে গিয়ে সেখানেও বাড়ি কেনার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন রবীন্দ্রনাথ। আসলে তাঁর জীবনদর্শনেও ঘর ও পথের উত্তরণের প্রয়াস। ‘পশ্চিমযাত্রীর ডায়ারি’ ও ‘জাভা-যাত্রীর পত্র’ মিলে প্রকাশিত ‘যাত্রী’তে (১৩৩৬/১৯২৯) সেই ঘর ও পথের অপূর্ব সমন্বয়ের কথা বলেছেন রবীন্দ্রনাথ। তাঁর কথায় : ‘ঘর বলে পেয়েছি, পথ বলে পাইনি। মানুষের কাছে ‘পেয়েছি’ তারও ডাক আছে, আর ‘পাইনি’ তারও ডাক প্রবল। ঘর আর পথ নিয়েই মানুষ। শুধু ঘর আছে পথ নেই সেও যেমন মানুষের বন্ধন, শুধু পথ আছে ঘর নেই সেও তেমনই মানুষের শাস্তি। শুধু পেয়েছি ‘বদ্ধ গুহা’, শুধু ‘পাইনি’ অসীম মরুভূমি।’ সেদিক থেকে তাঁর বন্ধনহীন চিত্তে ভ্রমণের তীব্র আকুতি নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও গোপন থাকেনি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মনে-প্রাণে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন ভ্রমণরসিক। মনের স্বস্তির অভাববোধে যেমন তাঁর গৃহের টান সক্রিয় হয়ে উঠেছে, তেমনই মুক্তির রোমাঞ্চকর অনুভূতির টানে ভ্রমণের সদিচ্ছা ডানা মেলেছে। সেখানে বিদেশ ভ্রমণের কল্পনাও তাঁকে সক্রিয় করে তুলেছে। যে পাহাড়ের প্রতি তাঁর অনীহা ছিল, সেই পাহাড়ময় বিদেশ ভ্রমণের ইচ্ছায় তিনি ১৮৯৫-এ পদ্মার সান্নিধ্য থেকে মানসিক প্রস্তুতি নিয়েছেন। আর পাঁচজন মানুষের মতো ভ্রমণের জন্য ভ্রমণবৃতান্ত নিয়ে রীতিমতো পড়াশোনা করতেন। তিনি নিজেই জানিয়েছেন, ‘আমি ভ্রমণ করতে ভালবাসি, কিন্তু ভ্রমণের কল্পনা করতে আমার আরও ভালো লাগে’। সেই ভালো লাগার পরিসর তাঁর জীবনভর বিস্তার লাভ করে। সেখানে রবীন্দ্রনাথের কষ্টসহিষ্ণু মনের পরিচয়ের মধ্যেই তাঁর ভ্রমণরসিক প্রকৃতি সবুজ মনে হয়। সেকালে যোগাযোগের প্রতিকূলতার মধ্যেই তাঁর ভ্রমণ আনুকূল্য লাভ করে। গরুর গাড়ি, ঘোড়ার গাড়ি, মানুষের টানা দু-চাকার গাড়ি, পালকি-তাঞ্জাম, ঝাপান-ডাণ্ডি, পুশপুশ, নানারকম রেলগাড়ি, ট্রাম-মোটর প্রভৃতি স্থলযানে ও নৌকা-বোট-স্টিমার-জাহাজ জলযানে তিনি দেশ-দেশান্তরে পাড়ি দিয়েছেন। জলপথ ও রেলপথ ছিল অবলম্বন, আকাশপথ তখনও অধরা। অথচ সুদূর বিস্তৃত পরিসরে তাঁর মনযান বয়সের ভারকে লঘু করে, শরীরকে অধিক গুরুত্ব না দিয়ে পরিযায়ী হয়ে উঠেছে। তার সঙ্গে আবার অনেক সময় অর্থের যোগান দিতে হয়েছে নিজেকে আয় করে। এজন্য দ্বীপময় ভারত ভ্রমণে গিয়ে তাইপিং থেকে কবির লেখনীতে সেই ভ্রাম্যমান জীবনের কথা সরস হয়ে উঠেছে : ‘আমৃত্যুকাল কোনোদিন কোথাও যে সহজে ভ্রমণ করতে পারব সে আশা বিড়ম্বনা। পথ সুদীর্ঘ, পাথেয় স্বল্প, অর্জন করতে করতে গর্জন করতে করতে, হোটেলে হোটেলে ডলার বর্জন করতে করতে আমার ভ্রমণ—গলা চালিয়ে আমার পা চালানো।’ তার পরেও রবীন্দ্রনাথের ভ্রমণের অতৃপ্তিবোধ বিস্ময়কর।
সুদূরের পিয়াসী কবিচিত্তে সীমার মাঝে অসীমের ব্যঞ্জনাও বর্তমান। সেখানে রবীন্দ্রনাথের ভ্রমণরসিক মনের ব্যপ্তি আরও সুগভীর ও সুদূরপ্রসারী। কতভাবেই না তাঁর ভ্রমণের সদিচ্ছা ব্যক্ত হয়েছে, তার ইয়ত্তা নেই। তিনি ভ্রমণকারীদের নিয়েও ভেবেছেন। সেখানে প্রকারান্তরে নিজের কথাকেও তুলে ধরেছেন। পারস্য ভ্রমণের কথা লিখতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ জানিয়েছেন : ‘যারা খাঁটি ভ্রমণকারী তারা জাতই আলাদা। একদিকে তাদের শরীর মন চিরচলিষ্ণু, আর একদিকে অনভ্যস্তের মধ্যে তাদের সহজ বিহার। সারা শরীরটাকে স্তব্ধ রেখে মনটাকে চালায় তারা অন্য শ্রেণির লোক।’ রবীন্দ্রনাথ সেই ‘খাঁটি ভ্রমণকারী’ যাঁর ‘সহজ বিহার’-এ ‘চিরচলিষ্ণু’ প্রকৃতি আমৃত্য সবুজে সজীব। এজন্য দেশ-দেশান্তরে ভ্রমণের পরেও তাঁর শিল্পীসুলভ অতৃপ্তিবোধ তাঁকে সতৃষ্ণ করে রেখেছিল। দশ বছরের সত্যজিৎ রায়ের অটোগ্রাফের খাতায় যে কবিতাটি লিখে দিয়েছিলেন কবি, সেই ‘স্ফুলিঙ্গ’(১৩৫২) সংকলনের ১৬৪ নং কবিতার মধ্যে তাঁর অকপট প্রকাশ : ‘বহু দিন ধ’রে বহু ক্রোশ দূরে / বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে / দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা, / দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু। / দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া / ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া / একটি ধানের শিষের উপরে / একটি শিশিরবিন্দু।’ স্বাভাবিকভাবেই রবীন্দ্রনাথের চির অতৃপ্ত মনের পরশে তাঁর ভ্রমণ আরও বহুমুখী বিস্তারে তাঁর সৃজনবিশ্বকেই প্রাচুর্যমুখর করে তোলে। সেখানে মানসভ্রমণেও তাঁর বিস্তার স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। পদ্মার সান্নিধ্যে থেকেও তাঁর মনের চলনে ‘ছিন্নপত্রাবলী’ নানা কথা বলে চলে, আবার ‘বাতায়নিকের পত্র’ ‘নিখরচায় যাত্রা’র আনন্দ বয়ে আনে। অন্যদিকে তাঁর ভ্রমণের পরশ ছড়িয়ে পড়েছে তাঁর সৃজনবিশ্বে। আমেদাবাদের শাহীবাগের স্মৃতি (১৮৭৮) দীর্ঘদিন পরে ‘ক্ষুধিত পাষান’ ছোটগল্পে, উড়িশ্যার মাহাল দেখার স্মৃতি ‘সমুদ্রের প্রতি’ কবিতায়, কাশ্মীরের ঝিলাম বা আগ্রার স্মৃতি ‘বলাকা’ কাব্যের একাধিক কবিতায় উঠে এসেছে। শুধু তাই নয়, দেশের মধ্যে ভ্রমণকালেই বেশির ভাগ নাটক লেখা হয়েছে। ‘প্রকৃতির প্রতিশোধ’(কারোয়ারে), ‘রাজা ও রানী’ (সোলাপুরে), ‘চিত্রাঙ্গদা’ (উড়িশ্যায়), ‘রক্তকরবী’ (শিলঙে), ‘মায়ার খেলা’ (দার্জিলিং-এ), ‘বিসর্জন’ (সাজাদপুরে), ‘রাজা’ ও ‘অচলায়তন’(শিলাইদহে) প্রভৃতি তার পরিচয়। অন্যদিকে ‘মালিনী’র ইঙ্গিত পেয়েছিলেন লণ্ডনে ভ্রমণকালে স্বপ্নের মধ্যে। আবার রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘নৌকাডুবি’ উপন্যাসটি লিখেছিলেন হাজারিবাগে ভ্রমণের সময়ে। অন্যদিকে পদ্মায় ভ্রমণকালে লিখেছেন অসংখ্য ছোটগল্প। সেদিক থেকে রবীন্দ্রনাথের ভ্রমণরসিক প্রকৃতি শুধু সাধারণে অসাধারণ নয়, সৃজনের বহুমুখী সচলতায় অতুলনীয় ব্যক্তিত্বে চিরসবুজ। তাঁর সঙ্গে যেমন রামনাথ বিশ্বাস, বিমল মুখোপাধ্যায়, বিমল দে বা কর্ণেল সুরেশ বিশ্বাস প্রমুখ ভূপর্যটককে মেলানো যায় না, তেমনই তাঁকে বাংলার স্বনামধন্য ভ্রমণলেখকদের সঙ্গে তুলনাই চলে না। তাঁর বহুমুখী বিস্তার আর অন্যকোনো ভ্রমণসাহিত্যিকের মধ্যে লক্ষ্য করা যায় না। অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথের বহুধাবিস্তৃত কর্মের সঙ্গেও তাঁর ভ্রাম্যমান জীবনের নিবিড় সংযোগ। সেখানে তাঁর বিশ্বভারতীর আধারেও দেশবিদেশের ভ্রমণ একাত্ম হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে তিনি শুধু একক ভাবে অভিনব ভ্রমণসাহিত্য সৃষ্টি করেননি, তাঁর সফরসঙ্গীদের লেখনীকেও ভ্রমণসাহিত্যে নিবিড় করে তুলেছেন। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ‘দ্বীপময় ভারত’(১৯৪০) বা ‘রবীন্দ্র-সঙ্গমে দ্বীপময় ভারত ও শ্যামদেশ’ (১৯৬৫) এবং বুদ্ধদেব বসু’র ‘সব-পেয়েছির দেশ’ (১৯৪১) তার উজ্জ্বল নিদর্শন। সৃজনে-মননে বহুমুখী প্রকাশে রবীন্দ্রনাথের অতুলনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্যে শান্তিনিকেতনই হয়ে ওঠে সব-পেয়েছির দেশ। অন্যদিকে তাঁর দেশদেশান্তরে স্মৃতিধন্য ভ্রমণস্থলগুলিও রবীন্দ্রতীর্থে পরিণত হয়েছে। এভাবে ভ্রমণের মাধ্যমে নিজেকে সমুদ্রগামী নদীর মতো মহামানবসাগরে চলার সময় দুপারে তাঁর সৃষ্টির ফসলই শুধু ছড়িয়ে পড়েনি, তাঁর ক্ষণকালের স্থিতিতে অসংখ্য স্মৃতিতীর্থও গড়ে উঠেছে। তাঁর মধ্যে ভ্রমণরসিক প্রকৃতি তাঁকে কখনো বিরত হতে দেয়নি, তিনিও তা চাননি। এজন্য ‘বাংলাভাষা-পরিচয়’ (১৯৩৮)-এর ভূমিকায় রবীন্দ্রনাথ নিজেই জানিয়েছেন, ‘আমি যেন পায়ে চলা পথের ভ্রমণকারী।’ অন্যদিকে জীবনের শেষ কাব্য ‘জন্মদিনে’র (১৯৪১) মধ্যেও তাঁর কবিমানসের অতৃপ্ত ভ্রমণপিপাসা প্রকট হয়ে উঠেছে। ১৯৪১-এর ২১ জানুয়ারি শান্তিনিকেতন থেকে কবি সেই দীর্ঘ কবিতায় (১০ নং) অকপটে তাঁর অদেখা পৃথিবী, অজানা বিশ্বের কথা ব্যক্ত করেছেন : ‘বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি। / দেশে দেশে কত-না নগর রাজধানী—/ মানুষের কত কীর্তি, কত নদী গিরি সিন্ধু মরু / কত-না অজানা জীব, কত-না অপরিচিত তরু / রয়ে গেল অগোচরে। বিশাল বিশ্বের আয়োজন ; / মনে মোর জুড়ে থাকে অতিক্ষুদ্র তারই এক কোণ। / সেই ক্ষোভে পড়ি গ্রন্থ ভ্রমণবৃত্তান্ত আছে যাহে / অক্ষয় উৎসাহে—’। রবীন্দ্রনাথের তীব্র আক্ষেপের মধ্যেই রয়ে গেছে তাঁর ভ্রাম্যময় জীবনের দিগন্তবিস্তারি পথের হাতছানি। সেপথে ভ্রমণরসিক রবীন্দ্রনাথের যে অসপত্ন অধিকার ছিল, তা তাঁর ভ্রাম্যমান মহাজীবনপ্রকৃতির উৎকর্ষমুখর বনেদিয়ানায় ও সৃষ্টিমুখর প্রবহমানতাতেই প্রতীয়মান।
প্রবন্ধে অনুল্লেখিত তথ্যঋণ :
১। বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস (৪খণ্ড), সুকুমার সেন
২। প্রবন্ধ-সংকলন ২, সুকুমার সেন
৩। ‘আকাশ আমায় ডাকে দূরের পানে’( প্রবন্ধ), চিত্রা দেব, কালি ও কলম, ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫
৪। বাংলা ভ্রমণ-সাহিত্য : কিছু কথা (প্রবন্ধ), রবিন পাল, পরবাস, সংখ্যা ৫৫
লেখক : প্রফেসর, বাংলা বিভাগ, সিধো-কানহো-বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়, পুরুলিয়া-৭২৩১০৪।