আদিবাসী, বনবাসী, লোধা, শবর অধ্যুষিত জঙ্গলমহলের জীবিকা অনেকাংশেই জঙ্গলের ওপর নির্ভরশীল। লক ডাউনের ফলে তা এখন একেবারেই তলানিতে। সঞ্চয়ের ভান্ডার প্রায় শূন্য। এরই মধ্যে বেশ কিছু এলাকায় খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। ঠিক এই সময় তাদের যাতে অভুক্ত না থাকতে হয়, তার জন্য মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঝাড়গ্রাম জেলার প্রান্তিক মানুষদের জন্য ৫০০০টি ত্রাণের প্যাকেট পাঠিয়েছেন। চাল, ডালের সাথে অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীও আছে।

ইতিমধ্যেই জেলার প্রায় সকল প্রান্তিক ও লোধা, শবরদের মধ্যে ত্রান বিলি করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তা চালু রয়েছে। শবর পরিবারগুলোর বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে অনাহার মেটানোর চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না প্রশাসন। মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাঠানো খাদ্যসামগ্রী আজ ৮টি ব্লক—সাঁকরাইল, গোপীবল্লভপুর-১, গোপীবল্লভপুর-২, নয়াগ্রাম, জাম্বণী, বিনপুর-১ (লালগড়), বিনপুর-২ (বেলপাহাড়ী), ঝাড়গ্রাম গ্রমীণ ও একটি পৌরসভার মধ্যে দুঃস্থ ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে বিলির জন্য বন্টন করতে ব্লক সভাপতিদের নির্দেশ দিলেন ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী বীরবাহা সরেন। নিজেই দাঁড়িয়ে থেকে তদারকি করলেন বিলি বন্টনের।

প্রথমে নিজ হাতে কিছু মানুষের মধ্যে ত্রান বিলি করলেন। পরে ব্লকের নেতৃত্বদের হাতে তা ছেড়ে দিলেন। উনি বললেন, কোনও মানুষ যেন অভুক্ত না থাকে তার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবেন। ভবিষ্যতে যদি আরো লাগে তিনি তা জোগাড় করার ব্যবস্থা করবেন, না খেতে পেয়ে কাউকেই থাকতে হবে না। জনসাধারণের উদ্দেশ্যে শুধু এইটুকুই অনুরোধ করলেন, তাঁরা যেন এই লকডাউনকে হাল্কা ভাবে কখনো না নেন, প্রয়োজনীয় দরকার ছাড়া কেউ যেন বাড়ির বাইরে না বের হন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয় সব সময় আমাদের পাশেই আছেন, সবাই যেন ওনার উপর ভরসা ও বিশ্বাস রাখেন।
ছবি ও সংবাদ : সুদীপ্ত চক্রবর্তী
Many many thanks to representative of TMC who are giving their support service to the needy people in this serious situation.
I salute them.