পুরো উলটপুরাণ। ঠিক এক বছর আগের ছবির সাথে আজকের ছবি মেলানোটাই বড়ো কঠিন।
২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে গোটা জঙ্গলমহলে কার্যত গেরুয়া ঝড় বয়ে গিয়েছিল। জঙ্গলমহলের প্রায় প্রতিটা লোকসভা আসনেই বিজেপি জেতে। অবশ্য এই জেতার পেছনে বিজেপির থেকে বামেদের অবদান ছিল অনেক বেশি। বামেদের ভোটে ভর করেই বিজেপির দাপাদাপি। ভোটের ফল বেরোনোর পর থেকেই জঙ্গলমহল এলাকায় ঘাসফুল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগদান বাড়তে থাকে। কিন্তু মাত্র কয়েকমাসের ব্যবধানে মোহভঙ্গ হয় নিচুতলার কর্মীদের।
ঘাসফুল শিবির ছেড়ে যাঁরা গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন তাঁরা আবার ফিরতে শুরু করেছেন পুরোনো দলেই। শুধু তাই নয়, বিজেপির বহু কর্মী-সমর্থকরাও যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলে। ইতি মধ্যেই জঙ্গলমহল এলাকাজুড়ে বিজেপি শিবিরে ভাঙন বাড়ছে। বড়জোড়া, সোনামুখি-সহ বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার একাধিক ব্লকের বহু বিজেপি কর্মী সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রাজীব ঘোষালের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।

রাজীব জানালেন, আগামী দিনে আরো বহু বিজেপি কর্মী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেবেন। তাঁরা যোগাযোগ রাখছেন। করোনা আবহে এক সাথে বহু মানুষের যোগদান সম্ভব নয়। তাই ধাপে-ধাপে করোনা বিধি মেনেই যোগদান পর্ব চলবে। মমতা বন্দোপাধ্যায়ই যে একমাত্র অভিভাবক তা তাঁরা বুঝতে পেরেছেন।