ভুয়ো ও আপত্তিকর পোস্ট করায় এপ্রিল মাসে রাজ্য পুলিশ ১৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে। ২৮৩ জনকে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও বড্ড বাড় বেড়েছে বিজেপি। পুলিশ বিবৃতি দিয়ে ফেক নিউজ প্রমাণ করে দিলেও দিলীপ ঘোষ, বাবুল সুপ্রিয়রা লাগাতার ভুয়ো পোস্ট করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন, বাংলাকে বদনাম করছেন বিজেপি নেতা, সাংসদরা।

দিলীপ ঘোষ একটা ভিডিও দিয়ে দাবি করেছিলেন সেটি নাকি কোয়ারেন্টিনের দুরবস্থার ছবি। পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশ প্রমাণ সহকারে দেখিয়ে দেয় দিলীপবাবু ভুয়ো ভিডিও পোস্ট করেছেন। এরকম কাজ না করতে সতর্ক করে পুলিশ। কোথায় কী? এরপরও তা চালিয়ে যাচ্ছে বিজেপি।



হবিবপুরে তোলা একটি ভিডিও দিয়ে বিজেপি সাংসদরা বাজার গরম করছেন। তাঁদের দাবি, রেশন দোকানের চাল নাকি লুঠ হচ্ছে। শুক্রবার ১ মে রাণাঘাট পুলিশ জেলা বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে জানায়, বিজেপির দাবি ভুল। হবিবপুরে শ্রীকৃষ্ণ রাইস মিলে চালের বস্তা ভর্তি ট্রাক ঢুকতে দেখে স্থানীয় মানুষ ভেবেছিলেন এটি বুঝি রেশনের চাল।

কিন্তু পুলিশ, প্রশাসনকে ওই রাইস মিলের তরফে জানানো হয়েছে, লকডাউনে চালের চাহিদা মেটাতে তারা বাদকুল্লার মা লক্ষ্মী ভান্ডার থেকে এই চাল কিনেছে। তার রশিদ, গাড়ির বিবরণ সব জমা দেয় ওই রাইস মিল। এদিন পুলিশ জানিয়ে দেয়, এমন ভুয়ো পোস্ট না ছড়াতে।


তার পরদিন অর্থাৎ আজও বিজেপি ওই ভুয়ো ভিডিও পোস্ট করে চলেছে! ঘৃণ্য রাজনীতি! মহামারী আইন লাগু আছে। তা অনুযায়ী পুলিশ ব্যবস্থা নিলে বিজেপি মরাকান্না কাঁদার অভিনয় করবে। ইতিমধ্যেই তো তাঁরা বসিরহাটের এক যাত্রাশিল্পীর কাছে অভিনয় শিখেছে! ফেক ইউনিভার্সিটির বিজেপি নেতাদের মিথ্যাচার বন্ধে, অভিনয় ছুটিয়ে দিতে পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নিক চাইছেন সকলেই।