রক্তদান জীবন বাঁচায়। যাদের রক্তের প্রয়োজন আছে তারা যাতে সময়মত সুলভে রক্ত পান তার জন্যই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। মানুষের জীবন বাঁচানো মনুষ্যত্বের একটি বড় দিক। যে কোনো সুস্থ ব্যক্তি ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত রক্তদান করতে পারেন। বছরে চারবার রক্তদান করলে সুস্থ থাকা যায়। রক্তদান করলে রক্তদান কারীরাও অনেক রকম ভাবে সুস্থ থাকতে পারেন। রক্তদান করলে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে, পাশাপাশি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন, কোলস্টরেলের মাত্রা কম হয়, তাতে মেদবহুলতা কমে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে বিগত ১১ বছরে উন্নয়নের শীর্ষে পৌঁছেছে বাংলা। পাহাড় থেকে সমতল, দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ— সর্বত্রই উন্নয়নের জোয়ারের স্বাদ পেয়েছে সাধারণ মানুষ। মা-মাটি-মানুষের সরকারের গৌরবময় এই ১১ বছর পূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে উদয়নারায়ণপুর পঞ্চায়েত সমিতি ও উদয়নারায়ণপুর ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে ৫ থেকে ২০ মে পর্যন্ত নিত্যদিনই অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘উন্নয়নের পথে ১১ বছর’ শীর্ষক কর্মসূচি। মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন স্বরূপ উদয়নারায়ণপুর ব্লক প্রশাসন ও পঞ্চায়েত সমিতির ব্যবস্থাপনায় মহতী রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন এলাকার উৎসাহী সাধারণ মানুষ, প্রশাসনের আধিকারিকবৃন্দ এবং বিধায়ক সমীর পাঁজা নিজে। উদয়নারায়ণপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুলেখা পাঁজা, ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক প্রবীর কুমার শীট, যুগ্ম ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, বিডিএমও, পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি, গ্রাম পঞ্চায়েতের সকল প্রধান থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি, সাধারণ মানুষেরা তাঁরা নিজেদের রক্ত দেবার মাধ্যমে সামিল হয়েছেন এই মহতী যজ্ঞে। সকল রক্তদাতাদের কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানালেন বিধায়ক সমীর পাঁজা।

এদিন রক্তদাতাদের হাতে চারাগাছ ও শংসাপত্র তুলে দেন হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান তথা উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক সমীর পাঁজা। তিনি বলেন আমি আমার অন্তরের অন্তর্স্থল থেকে সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। সমগ্র অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হলো রায়বাঘিনী রাণী ভবশঙ্করী স্মৃতি রক্ষা সমিতির সভাগৃহে।